Bank Loan: একমাসের কিস্তি বাকি! লোন শোধ করতে না পারায় অসুস্থ বৃদ্ধাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে

Satyajit Mondal | Edited By: জয়দীপ দাস

Feb 26, 2025 | 11:29 AM

Bank Loan: মঙ্গলবার সকালে দেবাশিসদের বাড়িতে আসেন ব্যাঙ্কের কিছু লোকজন। তখনই বাদানুবাদের মধ্যে বাড়ি থেকে আচমকা তাঁর অসুস্থ মাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। দেবাশিস জানাচ্ছেন, মাস পাঁচেক আগে ওই ব্যাঙ্ক থেকে তাঁরা এক লক্ষ টাকা লোন নিয়েছিলেন। সেই লোনেরই এক মাসের কিস্তি বাকি ছিল।

Bank Loan: একমাসের কিস্তি বাকি! লোন শোধ করতে না পারায় অসুস্থ বৃদ্ধাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে
পুলিশ গিয়ে উদ্ধার করল বৃদ্ধকে
Image Credit source: TV 9 Bangla

Follow Us

নরেন্দ্রপুর: লোনের মাসিক কিস্তি মেটাতে পারেননি। আর সেই অভিযোগেই অসুস্থ বৃদ্ধাকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ উঠল একটি ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে। ঘটনাটি ঘটেছে মঙ্গলবার। ওইদিন সকাল সাড়ে ৯টা থেকে দুপুর ২টো পর্যন্ত তাঁকে আটকেও রাখা হয় বলে অভিযোগ। মারধরও করা হয়। ঘটনায় নরেন্দ্রপুর থানায় ব্যাঙ্কের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করেছেন বৃদ্ধার পরিবারের সদস্যরা। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তও শুরু করেছে পুলিষ। বৄদ্ধার ছেলে দেবাশিস বিশ্বাস জানাচ্ছেন, এক মাসের কিস্তি মেটাকে দেরি হচ্ছিল তাঁদের। কিন্তু, তারপর থেকেই তাঁদের নানারকম হুমকি দেওয়া হচ্ছিল। 

অভিযোগ, মঙ্গলবার সকালে দেবাশিসদের বাড়িতে আসেন ব্যাঙ্কের কিছু লোকজন। তখনই বাদানুবাদের মধ্যে বাড়ি থেকে আচমকা তাঁর অসুস্থ মাকে তুলে নিয়ে যাওয়া হয়। দেবাশিস জানাচ্ছেন, মাস পাঁচেক আগে ওই ব্যাঙ্ক থেকে তাঁরা এক লক্ষ টাকা লোন নিয়েছিলেন। সেই লোনেরই এক মাসের কিস্তি বাকি ছিল। এর আঘেও তাঁরা ওই ব্যাঙ্ক থেকে লোন নিয়েছিলেন বলে জানাচ্ছেন। একবার ৩০ হাজার ও একবার ৫০ হাজার। দু’বারই লোন পরিশোধও করে দেন। 

দেবাশিস জানাচ্ছেন, সম্প্রতি ফের তাঁদের লোন নেওয়ার জন্য বারবার ফোন করা হয়েছিল ৷ প্রয়োজন থাকায় ১ লক্ষ টাকা লোনও নেন। নিয়মিত কিস্তিও মেটাচ্ছিল তাঁরা ৷ কিন্তু, ফেব্রুয়ারি মাসের কিস্তির টাকা এখনও পর্যন্ত দিতে পারেননি। তারপরেই এ ঘটনা। শেষে ছেলের অভিযোগ পেয়ে নরেন্দ্রপুর থানার পুলিশ গিয়ে ওই বৃদ্ধাকে ছাড়িয়ে আনে। বৃদ্ধা ও তাঁর ছেলের অভিযোগ, পুলিশের সামনেই ব্যাঙ্ক ম্যানেজার জোর করে তাঁদের থেকে মুচলেকা লিখিয়ে নেয়। মার্চ মাসের ১৫ তারিখের মধ্যে কিস্তির টাকা তারা পরিশোধ করবেন, এই মর্মেই লেখানো হয় মুচলেকা। অন্যদিকে এ ঘটনায় ব্যাঙ্কের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁদের কোনও প্রতিক্রিয়া মেলেনি।