
কলকাতা: সকাল থেকেই রীতিমতো ফুটছে ভবানীপুর। একেবারে সম্মুখ সমরে মমতা–শুভেন্দু। সকাল থেকেই উত্তেজনা ছিল। বেলা ১২টার পর তা চরমে ওঠে। দুই পক্ষই সকাল থেকে বিভিন্ন বুথে বুথে ঘুরছিলেন। পৌনে বারোটা নাগাদ শুভেন্দু অধিকারী পৌঁছয় জয় হিন্দ ভবনে। আর তাতেই তপ্ত হয়ে ওঠে পরিস্থিতি। শুভেন্দুকে ঘিরে ‘জয় বাংলা’ স্লোগান শুরু হয়। পাল্টা শুরু হয় ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগানও। সে সময়ে দুপক্ষের কয়েকশো কর্মী সমর্থকের ভিড় সেখানে। শুরু হয় ধস্তাধস্তি।
কেন্দ্রীয় বাহিনীর জওয়ানরা সেখানে ছিলেন। কিন্তু একটা সময়ে পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে পৌঁছয়, সেই পরিস্থিতি সামাল দেওয়া তাঁদের কার্যত হাতের বাইরে বেরিয়ে যায়। শুভেন্দুকে ঘিরে তখন কয়েকশো মানুষের ভিড়। চলছে স্লোগান পাল্টা স্লোগান। দেখা যায় গাড়ির সামনে দাঁড়িয়ে মোবাইলে কিছুক্ষণের ভিডিয়ো করেন শুভেন্দু। তারপর সরাসরি ফোন। ফোনে তাঁকে বলতে শোনা যায়, ‘হুলিগ্যান্স অ্য়াটাক মি। বুথ নম্বর ২১৭’ পরিস্থিতির বর্ণনা দিতে শোনা যায় তাঁকে। তিনি বলতে থাকেন, যাঁরা বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন, প্রত্যেকেই বহিরাগত।
তার পরের কয়েক মুহূর্ত। সেখানে পৌঁছে যান কাউন্সিলর কাজরি বন্দ্যোপাধ্যায়। কাজরি ও শুভেন্দু একেবারে মুখোমুখি চলে আসেন। কাজরি বলেন, “উনি এসেছেন, ওনার সঙ্গে RAF এসেছে। অযথা শান্তিপূর্ণ ভোটকেন্দ্রে এসে অশান্তি করছে। যারা ভোটের লাইনে ছিলেন, তারাই বেরিয়ে এসে বিক্ষোভ দেখাচ্ছেন। আমরা এসে থামানোর চেষ্টা করছি।”
শুভেন্দুর ফোনের ১০ মিনিটের মধ্যে সেখানে পৌঁছে যায় ফোর্স। কালীঘাটে রীতিমতো লাঠিচার্জ করে বিক্ষোভ হঠাতে দেখা যায় কেন্দ্রীয় বাহিনীকে।