
কথা ছিল বিকালের দিকে আসবেন তিনি। সোমবার কর্মসূচি মোতাবেক স্বামী বিবেকানন্দের ১৬৩তম জন্মবার্ষিকীতে বাংলার এই মহাপুরুষের বাড়িতে পৌঁছে গেলেন তৃণমূলের ‘সেনাপতি’ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্য়ায়।
বর্তমানে ইডির অধীনে একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মামলার তদন্ত চলছে। সেগুলির প্রয়োজনীয় নথি, গোপন নথি — সবটাই জমা পড়েছে এই সিজিও দফতরেই। তাই সেই নথিগুলির কথা মাথায় রেখেই বাড়ানো হয়েছে নিরাপত্তা। বেসরকারি সংস্থাকে দায়িত্ব থেকে মুক্ত করে মোতায়েন হয়েছে বাহিনী। এই সিজিও কমপ্লেক্সে প্রবেশের জন্য মোট দু’টি প্রবেশদ্বার রয়েছে। বর্তমানে এই দু’টি গেটে ছ’জন করে মোতায়েন করা হয়েছে মোট ১২ জনকে।
প্রয়াত সমীর পুততুণ্ড। রবিবার রাত ১১টা বেজে ১৫ মিনিট নাগাদ বাইপাস সংলগ্ন হাসপাতালে শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন পিডিএস নেতা। মৃত্যুর আগে তাঁর বয়স হয়েছিল ৭৩।
ডিসেম্বরের ১৯ তারিখে হাসপাতালে ভর্তি হন তিনি। শরীরে শ্বাসকষ্টজনিত সমস্য়া ছিল। সেই সঙ্গে ছিল ডায়াবেটিস। রাজনীতি দিয়েই তাঁর পরিচয়। ইতিমধ্য়েই সমীর পুততুণ্ডর মৃত্যুর ঘটনায় শোকপ্রকাশ করেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। স্মরণ করেছেন সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম সংগ্রামের কথা।
একদা বাম আন্দোলনের শক্তিশালী নেতা সমীর পুততুণ্ডকে হারিয়ে আমি খুবই মর্মাহত বোধ করছি। মনে হচ্ছে, আমি নিজের কাউকে হারালাম। সিঙ্গুর-নন্দীগ্রাম আন্দোলনে একসাথে কাজ করেছি।
অনুরাধাদিকে সান্ত্বনা জানানোর ভাষা নেই, তবুও সর্বদা পাশে আছি।
— Mamata Banerjee (@MamataOfficial) January 11, 2026
দোলা সেন এবং ডেরেক ও ব্রায়েনের দায়ের করা এসআইআর মামলার শুনানি আজ।
সুপ্রিমকোর্টে প্রধান বিচারপতি সূর্যকান্তর বেঞ্চে হবে শুনানি।
SIR প্রক্রিয়ায় সাধারণ মানুষকে হেনস্থা করা হচ্ছে এবং নিয়ম বহির্ভূতভাবে কাজ করছে নির্বাচন কমিশন, এই অভিযোগে সুপ্রিম কোর্টের দারস্ত হয়েছিলেন দোলা এবং ডেরেক।
এদিন বিবেকানন্দের মূর্তির পাদদেশে মালা দিয়ে অভিষেকের ‘যুবরাজ’ তকমাকেই নিজের হাতিয়ার করেন সুকান্ত।
তৃণমূলের সেকেন্ড-ইন-কমান্ড তথা ‘সেনাপতি’কে রাজপরিবারের অংশ বলে কটাক্ষ করে কেন্দ্রীয় প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘যুবরাজ আসবেন, তিনি বাংলার রাজপরিবারের অংশ। আমাদের তাতে কী করার রয়েছে? আমরা প্রজা। আমি তো তাই আগে গিয়ে মালাটা দিলাম। স্বামীজি অন্তত একটা সৎ লোকের হাতে আগে মালাটা পাক। না হলে এই চোরেরা মালা পরাবে, সেটা দেখতে খুব খারাপ লাগে। কয়লা পাচার, গরু পাচার নাম জড়িয়ে রয়েছে, এরা নাকি মালা পরাবে।’
কলকাতা: স্বামীজির জন্মদিনেও অব্য়াহত রাজনীতি। উত্তর কলকাতার সিমলা স্ট্রিটে পোস্টার পড়া নিয়ে দেখা গেল বিতর্ক। একদিকে অভিষেকের ‘স্বাগতম যুবরাজ’ পোস্টার। অন্যদিকে শুভেন্দুর ‘হিন্দু’ পোস্টার। সব মিলিয়ে বিতর্ক তুঙ্গে।
এদিন আবার যুবদিবসে পালনে সিমলা স্ট্রিট পর্যন্ত বিবেক-যাত্রা করেন রাজ্য়ের বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। মিছিল করে যুবদিবস পালন করতে দেখা যায় রাজ্যের শাসকশিবিরকেও। সাতসকালেই সেখানে তৃণমূলের তরফে মালাদান করতে পৌঁছে গিয়েছিলেন শশী পাঁজা।