AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

TMC: সত্যিই মমতার হাতছাড়া হবে ঘাসফুল প্রতীক? আইনত সম্ভব? কী বললেন হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি

TMC party symbol dispute: সাম্প্রতিক পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিয়ে অবসরপ্রাপ্ত বিচারপতি বলেন, "কোনও সংসদীয় দলের দুটো উইং, একটা লেজিসলেটিভ উয়ং, সেখানে রয়েছেন বিধায়ক, সাংসদরা। দ্বিতীয়ত, অর্গানাইজেশনাল উয়ং, সেখানে যাঁরা সাংগঠনিক কাজে যুক্ত, তাঁরা রয়েছেন। এঁদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা যাঁদের দিকে থাকবে, নির্বাচন কমিশন প্রতীক তাঁদেরকেই দিয়ে থাকে। এটা ফান্ডের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।"

TMC: সত্যিই মমতার হাতছাড়া হবে ঘাসফুল প্রতীক? আইনত সম্ভব? কী বললেন হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি
ডান দিকে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি দেবাশিস কর গুপ্তImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jun 12, 2026 | 8:41 PM
Share

কলকাতা: দলের অভ্যন্তরীণ সঙ্কট তো একটা বিষয়, কিন্তু পরিস্থিতি এমন পর্যায়ে লড়াই এখন অস্তিত্ব রক্ষার! তৃণমূল লড়াই চালাচ্ছে তার অস্তিত্ব, তার প্রতীক, তার সম্পত্তি রক্ষায়। ‘বিদ্রোহী’ ব্লক যা যা পরিস্থিতি তৈরি করেছে, তাতে কালীঘাটের হাতছাড়া হয়ে যেতে পারে  দলের অফিশিয়াল নাম, নির্বাচনী প্রতীকও। কিন্তু সেটা কীভাবে সম্ভব? বা আদৌ কি সম্ভব? ‘তৃণমূল কংগ্রেস’, এই নাম, পার্টির ফান্ড, জোড়া ফুল প্রতীক- এটা কোন দিকে যাবে? মমতাপন্থীদের দিকে নাকি বিক্ষুব্ধ ব্লক, তাদের দিকে? এরকম পরিস্থিতিতে আইনসিদ্ধ পদ্ধতিতে গোটা বিষয়টি কী হয়ে থাকে? সেটাই TV9 বাংলার এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে বুঝিয়েছেন কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি দেবাশিস কর গুপ্ত।

সাম্প্রতিক পরিস্থিতির ব্যাখ্যা দিয়ে অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি বলেন, “কোনও সংসদীয় দলের দুটো উইং, একটা লেজিসলেটিভ উয়ং, সেখানে রয়েছেন বিধায়ক, সাংসদরা। দ্বিতীয়ত, অর্গানাইজেশনাল উয়ং, সেখানে যাঁরা সাংগঠনিক কাজে যুক্ত, তাঁরা রয়েছেন। এঁদের সংখ্যাগরিষ্ঠতা যাঁদের দিকে থাকবে, নির্বাচন কমিশন প্রতীক তাঁদেরকেই দিয়ে থাকে। এটা ফান্ডের ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য।”

কিন্তু আরও একটি সম্ভাবনার কথাও বলে রেখেছেন তিনি। তাঁর মতে, যদি  এরকম পরিস্থিতি তৈরি হয়, যেখানে সংখ্যাগরিষ্ঠকে নির্ধারণ করা যাচ্ছে না, তাহলে প্রতীক ‘ফ্রিজ’ করে দিয়ে নতুন প্রতীক উভয়পক্ষকে দিতে পারে কমিশন। ঘটনাটা আদালত পর্যন্ত গড়াতে পারে। যেহেতু ‘জুডিশিয়াল রিভিউ’ সর্বোচ্চ সিদ্ধান্ত হিসাবে নির্ধারিত হবে।

সূত্রের খবর, তৃণমূলের বিদ্রোহী শিবিরই নিজেদের ‘প্রকৃত তৃণমূল’ দাবি করে, তার বৈধতা চেয়ে খুব শীঘ্রই নির্বাচন কমিশনে দরবার করতে পারে। আনুষ্ঠানিক ভাবে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা দেওয়ার আগে বিদ্রোহী শিবির তৃণমূলের নতুন সভাপতি, কোষাধ্যক্ষ–সহ বিভিন্ন পদাধিকারী বাছাই করতে পারে বলে সূত্রের খবর। এমতাবস্থায় খুব তাড়াতাড়ি যে বিষয়টি আদালতে পৌঁছবে, তা বলার অপেক্ষা রাখে না।

Follow Us