AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Sonarpur: বেহালার সুব্রতর ফর্ম তুললেন সোনারপুরের সুব্রত, তারপর…

South 24 Pargana: সুব্রত মিস্ত্রি। তিনি পেশায় 'সাহাপুর মথুরা নাথ বিদ্যাপীঠের' একটি সরকারি স্কুলে ক্লার্কের কাজ করেন। ২০০২ সালে তিনি প্রথম ভোট দিয়েছিলেন। তারপর এই স্কুলে চাকরি পাওয়ার পর থেকে তিনি বুথ কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারতেন না। ভোট দিতেন পোস্টাল ব্যালটে। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে তিনি আর ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতেন না।

Sonarpur: বেহালার সুব্রতর ফর্ম তুললেন সোনারপুরের সুব্রত, তারপর...
সুব্রত মিস্ত্রিImage Credit: Tv9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Nov 19, 2025 | 7:07 PM
Share

সোনারপুর: একটাই এপিক নম্বর। অথচ একই নামের দুই ভোটারের হদিশ। বড়িশার সুব্রত মিস্ত্রির এনুমারেশন ফর্ম তুললেন সোনারপুরের সুব্রত মিস্ত্রি। নাম এপিক নম্বর সব এক। শুধু বদলে গেল ছবি ও বাড়ির ঠিকানা। এক এপিকে দুই ভোটারের বাবার নামও এক। এখন আর ফর্ম পাচ্ছেন না বেহালার সুব্রত। তাঁর একটাই দাবি, ফিরিয়ে দেওয়া হোক পরিচয়!

সুব্রত মিস্ত্রি। তিনি পেশায় ‘সাহাপুর মথুরা নাথ বিদ্যাপীঠের’ একটি সরকারি স্কুলে ক্লার্কের কাজ করেন। ২০০২ সালে তিনি প্রথম ভোট দিয়েছিলেন। তারপর এই স্কুলে চাকরি পাওয়ার পর থেকে তিনি বুথ কেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতে পারতেন না। ভোট দিতেন পোস্টাল ব্যালটে। দীর্ঘ কয়েক বছর ধরে তিনি আর ভোটকেন্দ্রে গিয়ে ভোট দিতেন না। এরপর এসআইআর (SIR) চালু হওয়ার পর তিনি এসআইআর ফর্ম আনতে যান। তবে তা পাননি। আর তা না পাওয়ার জন্য খোঁজ খবর করতে গিয়েছিলেন।

সুব্রতর দাবি, সেখানে বিএলও তাঁকে বলেন যে তাঁর ফর্ম কেউ তুলে নিয়েছে মুকুন্দপুরের সেবিকা মিস্ত্রি নামে কেউ একজন। বিএলও তারপর সেবিকা মিস্ত্রির ফোন নম্বর সুব্রত বাবুকে দেন। তিনি সেবিকাকে ফোন করেন। তখন সেবিকা জানান, তাঁর স্বামী সুব্রত মিস্ত্রি এসআইআর ফর্ম তুলেছেন। এরপর সুব্রত এপিক নম্বর চাইলে তিনি এপিক নম্বর দিতে চাননি। পাশাপাশি ফর্মে দেখা যাচ্ছে সুব্রত মিস্ত্রির নাম রয়েছে এপিক নম্বরও এক। এমনকী বাবার নামও এক। শুধু ছবি আলাদা। এ দিকে, বেহালার সুব্রত মিস্ত্রি এখন কোনওভাবেই আর ফর্ম তুলতে পারছেন না।

বেহালার সুব্রতবাবুর বক্তব্য, এই ভুয়ো সুব্রত ক্যানিংয়ের বাসিন্দা। কোনও দালালের নিশ্চয় অর্থের বিনিময়ে তিনি এই ভোটার কার্ডটি ২০১৭ সালে বানিয়েছিলেন। এখন প্রশ্ন উঠছে এত বড় গাফিলতি হলো কীভাবে? যেখানে এক ব্যক্তির নাম ও বাবার নামে দুজন ভোটার। সুব্রতবাবু বলেন, “আমার পরিচিতি ছিনিয়ে নিয়েছে। আমি চাই সেটা ফিরিয়ে দিক।”

Follow Us