AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Mamata Banerjee-Tarique Rahman: এপার বাংলা থেকে ওপার বাংলায় গেল ফুল-মিষ্টি, তারেককে শুভেচ্ছা মমতার

Mamata Banerjee Extend Geetings to Tarique Rahman: তবে সৌজন্যের জায়গাটা যে শুধু একটা ফোনালাপ দিয়ে মিটে গিয়েছে এমনটা নয়। সূত্রে খবর, তারেক রহমানকে ফুল-মিষ্টিও পাঠিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। সন্ধ্য়া সাড়ে ৭টা নাগাদ ফোনে কথা হয়েছে দু'জনের। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা মাধ্যমে জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাঠানো এই ফুল-মিষ্টি শনিবার সন্ধ্যায় তারেক রহমানের গুলশানের কার্যালয়ে পৌঁছয়।

Mamata Banerjee-Tarique Rahman: এপার বাংলা থেকে ওপার বাংলায় গেল ফুল-মিষ্টি, তারেককে শুভেচ্ছা মমতার
তারেক রহমানকে শুভেচ্ছাবার্তা মমতা বন্দ্যোপাধ্য়ায়েরImage Credit: সংগৃহিত (Social Media)
| Edited By: | Updated on: Feb 15, 2026 | 3:05 PM
Share

কলকাতা: এপার বাংলা থেকে ওপার বাংলায় গেল শুভেচ্ছা বার্তা। বাংলাদেশের ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সংখ্য়াগরিষ্ঠতা লাভ করেছে খালেদা জিয়া-জিয়াউর রহমানের দল বিএনপি। ১৭ বছরের ‘নির্বাসন’ কাটিয়ে দেশে ফিরেই ‘নায়ক’ হয়েছেন তারেক রহমান। বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রী হতে চলেছেন তিনি। এই আবহে হবু প্রধানমন্ত্রীকে শুভেচ্ছা জানালেন বাংলার মুখ্য়মন্ত্রী মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায়। শনিবার সন্ধ্য়ায় তারেক রহমানকে ফোন করলেন তিনি। ফোনালাপে কী কথা হয়েছে তা জানা যায়নি।

তবে সৌজন্যের জায়গাটা যে শুধু একটা ফোনালাপ দিয়ে মিটে গিয়েছে এমনটা নয়। সূত্রে খবর, তারেক রহমানকে ফুল-মিষ্টিও পাঠিয়েছেন বাংলার মুখ্যমন্ত্রী। সন্ধ্য়া সাড়ে ৭টা নাগাদ ফোনে কথা হয়েছে দু’জনের। বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা মাধ্যমে জানা গিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের পাঠানো এই ফুল-মিষ্টি শনিবার সন্ধ্যায় তারেক রহমানের গুলশানের কার্যালয়ে পৌঁছয়। সেই সময় কার্যালয়ে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির মিডিয়া সেলের সদস্য আতিকুর রহমান রুমন। তিনি সেই শুভেচ্ছা-বার্তা সাদরে গ্রহণ করেন।

শুক্রবার প্রকাশিত হয়েছে বাংলাদেশের জাতীয় সংসদ নির্বাচন এবং গণভোটের ফলাফল। তাতে দেখা গিয়েছে, হাসিনা-হীন বাংলাদেশে ‘চেনা বিএনপি’-তেই আস্থা রেখেছে জনগণ। ২০২৪ সালে গণঅভ্য়ুত্থানের মধ্য়ে দিয়ে শেখ হাসিনা ক্ষমতাচ্যুত হলে তারপর বাংলাদেশের দায়িত্ব যায় অন্তর্বর্তী সরকারের কাঁধে। প্রাথমিকভাবে মনে করা হয়েছিল, কয়েক মাসের মধ্যেই নির্বাচনের আয়োজন করা হবে। কিন্তু তা সেই আয়োজন সম্পূর্ণ হতে কেটে গেল প্রায় দেড় বছর। দেশে ফিরে এলেন তারেক রহমানও।

উল্লেখ্য়, বাংলাদেশের ৩০০টি আসনের মধ্য়ে ২৯৯টি আসনে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তারেক রহমান নিজেই দুই জায়গা থেকে দাঁড়িয়েছিলেন, একটি হল ঢাকা ১৭। অন্যটি হল বগুড়া ৬। আর দু’জায়গাতেই বিপুল ভোটে জয়ী হয়েছেন তিনি। একা বিএনপি জিতেছে ২০৯টি আসন। শরিকদের নিয়ে তাঁদের মোট জয়ী আসনের সংখ্য়া ২১২টি। তারেক রহমান ও বিএনপির এই জয়ের পরেই নিজের এক্স হ্যান্ডেলে শুভেচ্ছা বার্তা লিখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাংলাদেশের হবু প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ভাই বলে সম্বোধন করে তিনি লিখেছিলেন, “বাংলাদেশের এই বিপুল জয়ের জন্য অভিনন্দন জানাই আমার তারেকভাইকে, তাঁর দলকে ও অন্যান্য দলকে। সবাই ভালো থাকুন, সুখী থাকুন। আমাদের সঙ্গে সব সময় বাংলাদেশের সুসম্পর্ক বজায় থাকবে, এটাই আমরা কামনা করি।”