AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Chorbagan Pandal Stampede: মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা, অ্যাকশন শুরু পুলিশের

Chorbagan Pandal Stampede Arrest : মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, ১৭ জনের মৃত্যু, ২৫ জন আহত, তাঁদের মধ্যে ১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ৬ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “পুজো বন্ধ করে STF, ফরেনসিক, দমকলকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ওরা প্রাথমিক তদন্ত করছে।” শহরের বড় পুজোগুলোর উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, “খুব ভিড় হচ্ছে, থিম পুজো, ভিতরে আলো নেই, প্যাসেজ সরু, এগুলো দেখে নেওয়া হয়েছে।”

Chorbagan Pandal Stampede: মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তা,  অ্যাকশন শুরু পুলিশের
চোরবাগানের ঘটনায় অ্যাকশন শুরু পুলিশেরImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Oct 17, 2026 | 11:47 PM
Share

কলকাতা: চোরবাগান সর্বজনীনে পুজো প্যান্ডেলে পদপিষ্টের ঘটনায় মৃত ১৭ জন। আর এই ঘটনার পরই অ্যাকশন শুরু পুলিশের। মুখ্যমন্ত্রীর কড়া বার্তার পরই অ্যাকশন শুরু পুলিশের। আটক চোরবাগান সর্বজনীনের একাধিক পুজো উদ্যোক্তা। আটক  করা হয়েছে বেসরকারি নিরাপত্তা কর্মীদেরও। এমনকি পুজোয় দায়িত্বে থাকা পুলিশ কর্মীদেরও আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

TV9 বাংলাকে এক্সক্লুসিভলি মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন,  ১৭ জনের মৃত্যু, ২৫ জন আহত, তাঁদের মধ্যে ১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক। ৬ জনকে শনাক্ত করা হয়েছে। পরিবারকে খবর দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, “পুজো বন্ধ করে STF, ফরেনসিক, দমকলকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ওরা প্রাথমিক তদন্ত করছে।” শহরের বড় পুজোগুলোর উদ্দেশে মুখ্যমন্ত্রীর বার্তা, “খুব ভিড় হচ্ছে, থিম পুজো, ভিতরে আলো নেই, প্যাসেজ সরু, এগুলো দেখে নেওয়া হচ্ছে।”

চোরবাগানের পদপিষ্টের ঘটনায় ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং টিমও গঠন করা হবে বলে মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন। তিনি বলেন, “এখনই খতিয়ে দেখা হচ্ছে। সব জায়গায় দমকল পুলিশ খতিয়ে দেখছে। দরকার হলে নিরাপত্তার ত্রুটি থাকলে, তা মুক্ত করে প্যান্ডেল খোলা হবে। ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং হবে। সিসিটিভি ফুটেজ আনানো হচ্ছে। আমাদের দক্ষ লোক রয়েছে, তৎপরতার সঙ্গে কাজ করছেন।”

প্রথম থেকেই স্থানীয় বাসিন্দাদের তরফে পুজো উদ্যোক্তাদের বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ তোলা হয়েছিল। মণ্ডপে ঢোকা-বেরনোর রাস্তা শরু। মণ্ডপের বাইরে কোও অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থা ছিল না। বৃষ্টির সময়ে একসঙ্গে অনেক লোক ভিতরে ঢুকে পড়েছিলেন। এমনি সময়ে ভিড় নিয়ন্ত্রণের ভলান্টিয়র থাকলেও, বৃষ্টির সময়ে কাউকেই দেখতে পাওয়া যায়নি। পুজো উদ্যোক্তাদের মধ্যে কাউকেই দেখতে পাওয়া যায়নি বলে স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ। দুর্ঘটনার পর এলাকার বাসিন্দারাই তাঁদের উদ্ধার করেন। সে সময়ে পুলিশেরও অনেকে ছিলেন না বলে জানাচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রী সেই বিষয়টিও খতিয়ে দেখা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন।

Follow Us