AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Suvendu Adhikari: ‘প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কি আর আপনাদের খোঁজ নেন এখন?’, বিধানসভার প্রথম অধিবেশনেই সংখ্যালঘুদের জন্য বড় বার্তা শুভেন্দুর

Suvendu Adhikari Assembly Speech: মুখ্যমন্ত্রী বলেন, "ওনারাই তো গেল গেল রব তুলেছেন, হিন্দুত্বের কথা বলেছেন। আমি শপথ নিয়েছি, মুখ্যমন্ত্রী  হওয়ার পরে এমন কোনও শব্দ, বাক্য ব্যবহার করব না, আমার মুখ থেকে পাবেন না, যাতে কোনও বিশেষ সম্প্রদায় আঘাত পেয়েছেন বলতে পারেন।"

Suvendu Adhikari: 'প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী কি আর আপনাদের খোঁজ নেন এখন?', বিধানসভার প্রথম অধিবেশনেই সংখ্যালঘুদের জন্য বড় বার্তা শুভেন্দুর
শুভেন্দু অধিকারী, মুখ্যমন্ত্রীImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jun 23, 2026 | 6:10 PM
Share

কলকাতা: অষ্টাদশ বিধানসভা। দ্বিতীয়ার্ধে জবাবি ভাষণ রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর কথার সিংহভাগ জুড়ে ছিল প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের জমানার বিভিন্ন অনাচারের প্রসঙ্গ। তৃণমূল জমানার কোনও অপরাধীই যে ছাড় পাবে না, আরও নতুন কড়া আইন আনা হবে, সেটা আরও একবার এদিন বিধানসভায় স্পষ্ট করেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি আশ্বস্ত করেন তিলোত্তমার মায়ের পাশাপাশি বিচার পাবেন তমান্নার মাও। আর সেটা বলতে গিয়েই কথায় কথায় মুখ্যমন্ত্রীর মুখে উঠে সংখ্যালঘুদের প্রসঙ্গ। কীভাবে সংখ্যালঘুদের কেবল স্বার্থের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ব্যবহার করেছেন, কীভাবে তাঁদের ভুল পথে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে পরিচালনা করা হয়েছে, এই সবই ব্যাখ্যা করেন মুখ্যমন্ত্রী।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ওনারাই তো গেল গেল রব তুলেছেন, হিন্দুত্বের কথা বলেছেন। আমি শপথ নিয়েছি, মুখ্যমন্ত্রী  হওয়ার পরে এমন কোনও শব্দ, বাক্য ব্যবহার করব না, আমার মুখ থেকে পাবেন না, যাতে কোনও বিশেষ সম্প্রদায় আঘাত পেয়েছেন বলতে পারেন।” আর তারপরই তিনি বলেন, “আমি বলছি, আপনারা ভুল পথে পরিচালিত করেছেন মুসলমানদের। কেন খারাজি মাদ্রাসায় পাঠাবেন? কেন স্কুল কলেজে পাঠাবেন না, কেন ডাক্তার ইঞ্জিনিয়ার করবেন না, উত্তর দিতে হবে।”

উল্লেখ্য, এই একই বিষয়টি এর আগে পুর ও নগরোন্নয়ন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালও করেছিলেন। মাদ্রাসা প্রসঙ্গে তিনি বলেছিলেন,  “মাদ্রাসাগুলিতে পড়াশোনা কেমন হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখা দরকার। বিধানসভায় যখন বিরোধী দলে ছিলাম, তখনও বলেছি, মাদ্রাসায় ৫৭১৩ কোটি টাকার যে অনুদান দেওয়া হচ্ছে, তাতে কতজন ছেলেমেয়ে তার সাহায্য পাচ্ছে? কতগুলো ছেলেমেয়ে ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, বিজ্ঞানী আইএফএস, আইআরএস হচ্ছে, তা দেখা দরকার। টাকাগুলো কোথায় যাচ্ছে, মাদ্রাসায় আধুনিক শিক্ষা দেওয়া হচ্ছে কি না, তা দেখা দরকার।”

মুখ্যমন্ত্রীর মুখে উঠে আসে বেলডাঙার অশান্তির প্রসঙ্গও। তিনি বলেন, “কেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বেলডাঙায় তিন দিন জাতীয় সড়ক বন্ধ থাকার পর বলেছিলেন, ওরা তো শুক্রবার একটু আধটু করবেই!” তারপরই মুখ্যমন্ত্রী সংখ্যালঘুদের উদ্দেশেই বিধানসভায় দাঁড়িয়ে বললেন, “NIA যাওয়ার পর প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী আপনাদের খোঁজ নেন?  তিনি তো ব্যস্ত দাদার বাড়িটা ভাঙল কিনা, ভাইপোটা জেলে গেল কিনা। আপনাদের কথা ভাবে না।”

বিজেপি বারবারই অভিযোগ করেছে, সংখ্যালঘুদের মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ভোটব্যাঙ্ক হিসাবেই ব্যবহার করেছেন। ৩০ শতাংশ ভোট মমতার ক্ষেত্রে বড় ফ্যাক্টর ছিল বলে রাজনৈতিক বিশ্লেষকরাও বলেছেন। বিধানসভায় দাঁড়িয়ে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী বুঝিয়ে দিলেন, সংখ্যালঘুরা আর এখন ভোটব্যাঙ্ক হিসাবে ব্যবহৃত হবেন না।

Follow Us