Dhakuria Chaos: ‘১০ জনকে গ্রেফতার করে আইওয়াশ নয়’, সিপি হওয়ার পরই সুপ্রতীমের কাছে বড় চ্যালেঞ্জ বিরোধীদের
Dhakuria Chaos: এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে রবিবার রাতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোড। বোমাবাজি করা হয়। গুলিও চালানো হয় বলে অভিযোগ। একাধিকজন আহত হয়েছেন। সোনা পাপ্পু নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, সোনা পাপ্পুর অনুগামীরা এই হামলা চালিয়েছে।

কলকাতা: নাগরিক সুরক্ষাকে একেবারে প্রশ্নের মুখে ফেলে বোমা-গুলিতে তপ্ত শহরের প্রাণকেন্দ্র। রবিবার সন্ধ্যার পর উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া মোড়। দুষ্কৃতী তাণ্ডবের পর রাতভর তল্লাশি চালিয়েছে পুলিশ। মূল অভিযুক্ত সোনা পাপ্পু ও তাঁর বিরুদ্ধে গোষ্ঠীর মোট ১০ জনকে এখনও পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে। সিপি সুপ্রতীম সরকার আশ্বস্ত করেছেন, একজন অভিযুক্তকেও ছাড়া হবে না। তিনি বলেন, “সারা রাত ধরে তল্লাশি চলেছে। পেট্রলিং চলছে। যারা ঘটনা ঘটিয়েছে, কাউকে ছাড়া হবে না।” কয়েকদিন আগেই কলকাতা পুলিশের সিপি-র দায়িত্বে এসেছেন সুপ্রতীম সরকার। আর তাঁর দায়িত্বে আসার পরই কলকাতায় এত বড় ঘটনা! অভিযুক্ত দু’পক্ষই আবার শাসকদলের ঘনিষ্ঠ। বিরোধীদের বক্তব্য, এটাই সিপি-র কাছে বড় চ্যালেঞ্জের!
এলাকা দখলকে কেন্দ্র করে রবিবার রাতে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ঢাকুরিয়ার কাঁকুলিয়া রোড। বোমাবাজি করা হয়। গুলিও চালানো হয় বলে অভিযোগ। একাধিকজন আহত হয়েছেন। সোনা পাপ্পু নামে এক যুবকের বিরুদ্ধে সরব হয়েছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। তাঁদের অভিযোগ, সোনা পাপ্পুর অনুগামীরা এই হামলা চালিয়েছে। ঘটনাস্থলে যান স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর চৈতালি চট্টোপাধ্যায় ও পাশের ওয়ার্ডের কাউন্সিলর বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়। তাঁদের ঘিরে বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা। পুলিশকে ঘিরেও বিক্ষোভ দেখান স্থানীয় বাসিন্দারা।
কিন্তু, কে এই সোনা পাপ্পু? কারও কি মদত রয়েছে তাঁর পিছনে? ঢাকুরিয়ায় স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভ উগরে দিচ্ছেন তাঁর বিরুদ্ধে। আর সামনে আসছে সোনা পাপ্পুর সঙ্গে শাসকদলের ঘনিষ্ঠতার ছবি।
কী বলছেন বিরোধীরা?
রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী বলেন, “সোনা পাপ্পু একজন ভয়ঙ্কর অপরাধী। গোটা কসবা-গোলাপার্ক নিয়ন্ত্রণ করে। সোনা পাপ্পুকে গ্রেফতার করতে হবে। আইওয়াশ করে ১০ জনকে গ্রেফতার করলে চলবে না। আমরা মাঠে নামছি। পুকুর-জলাশয় বোজানো-সব সিন্ডিকেটটাই নিয়ন্ত্রণ করছে।”
তাঁর সঙ্গে সোনা পাপ্পুর ছবি এখন ভাইরাল। এই নিয়ে মেয়র পারিষদ দেবাশিস কুমারের বক্তব্য, “এটা আমি অস্বীকার করতে চাই না। কেউ আইনের ঊর্ধ্বে নয়। যদি অন্যায় করে থাকে, শাস্তি হবে।” এই সোনা পাপ্পু তৃণমূলের একাধিক নেতার ঘনিষ্ঠ, তা বিরোধীদের পাশাপাশি তৃণমূল নেতৃত্বের একাংশও স্বীকার করছেন। কিন্তু এক্ষেত্রে বিরোধীদের প্রশ্ন, সিপি যে ১০ জনকে গ্রেফতার করেছেন, তাদের মধ্যে সোনা পাপ্পু নেই কেন? তাঁকে কি আদৌ গ্রেফতার করা হবে?
