TMC MLA Baharul Islam: ‘ওখানে কী ভূতে সই করে দিল?’ বিধানসভায় সই কেলেঙ্কারিতে আকাশ থেকে পড়ছেন বাহারুল
West Bengal Assembly Signature Case: পুরো বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল তৃণমূলের পরিষদীয় দলের প্রথম দিনের বৈঠকের পর, যখন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নামের সপক্ষে বিধানসভায় একটি প্রাথমিক চিঠি জমা দেওয়া হয়। এরপর বিধানসভা থেকে একটি রেজলিউশন চাওয়া হয়।

কলকাতা: বিধানসভার প্রধান সচিবের অভিযোগের ভিত্তিতে বিরোধী দলের প্রস্তাবে বিধায়কদের সই সংক্রান্ত কেসের তদন্তে অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে উঠেছে সিআইডি। চৌরঙ্গির বিধায়ক নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়, বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষের বাড়িতেও হানা দেন তদন্তকারীরা। তা নিয়ে জোর শোরগোল রাজনৈতিক আঙিনায়।
এরইমধ্যে ক্যানিং পূর্বের তৃণমূল বিধায়ক বাহারুল ইসলামের বাড়িতে আসে সিআইডি-র তদন্তকারী দল। বিরোধী দলনেতার প্রস্তাবনায় তৃণমূলের বিধায়কদের লিস্টে বাহারুলের সই থাকলেও, নিজে সেই সই করেননি বলে খবর। বাহারুল বলছেন, “বিধানসভায় যেটা জমা পড়েছে তার মধ্যে কোনও এক বিধায়ক বলেছে আমার সই নয় এটা। হেয়ার স্ট্রিট থানায় অভিযোগ হয়। সিআইডি-র হাতে আসে। ৬ তারিখ আমি বাড়িতে ছিলাম। আমাকে যদি পদত্যাগ করতে বলতো করে দিতাম। কিন্তু ওখানে ভূতে সই করে দিল না কে করে দিল বুঝতে পারছি না।”
অন্যদিকে কুণাল ঘোষের বাড়িতে সিআইডি-র টিম গেলেও কুণালবাবু অন্য একটি কর্মসূচিতে ব্যস্ত থাকায় তাঁর সঙ্গে সরাসরি দেখা হয়নি। সূত্রের খবর, সিআইডি আধিকারিকরা ফোনে তাঁর সঙ্গে কথা বলেন। বিধায়ক জানিয়েছেন, আগামী কয়েকদিনের মধ্যে তিনি নিজেই এই মামলার দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিকদের সঙ্গে দেখা করে বিষয়টি নিয়ে কথা বলবেন। পাশাপাশি নয়না বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়িতে সিআইডির একটি দল আবার হ্যান্ডরাইটিং এক্সপার্ট নিয়ে হাজির হয়। প্রায় দেড় ঘণ্টা সেখানে ছিল সিআইডি-র টিম। তদন্তকারীদের সূত্র থেকে জানা যাচ্ছে, সিআইডি এখন কেবল বিধায়কদের সই যাচাই করছে না, একইসঙ্গে রেজলিউশনে উল্লেখ করা তারিখগুলির মধ্যে কোনও গড়মিল রয়েছে কিনা তাও খতিয়ে দেখছে।
পুরো বিতর্কের সূত্রপাত হয়েছিল তৃণমূলের পরিষদীয় দলের প্রথম দিনের বৈঠকের পর, যখন শোভনদেব চট্টোপাধ্যায়ের নামের সপক্ষে বিধানসভায় একটি প্রাথমিক চিঠি জমা দেওয়া হয়। এরপর বিধানসভা থেকে একটি রেজলিউশন চাওয়া হয়। তখনই ৭০ জন বিধায়কের সই এবং নির্দিষ্ট তারিখ সম্বলিত একটি নথি কর্তৃপক্ষের কাছে জমা দেওয়া হয়েছিল।
