AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

I PAC ED RAID: ‘ক্ষমতার বলে নথি ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে’, কোন মামলায় তদন্ত চলছিল? কোন ফাইল নিয়ে বেরোলেন মমতা? এবার মুখ খুলল ED

I PAC ED RAID: মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগের জবাব এবার ইডির। ইডির বক্তব্য,  ক্ষমতার বলে নথি ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে।  সাংবিধানিক ব্যক্তি ক্ষমতার বলে   বেআইনিভাবে ঢুকে নথি ছিনিয়ে নিয়েছেন। পাল্টা অভিযোগ করেছে ইডি। ইডির বক্তব্য, কয়লা দুর্নীতির তদন্ত হচ্ছে। এটা আর্থিক দুর্নীতি মামলায় স্বাভাবিক প্রক্রিয়া।

I PAC ED RAID: 'ক্ষমতার বলে নথি ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে', কোন মামলায় তদন্ত চলছিল? কোন ফাইল নিয়ে বেরোলেন মমতা? এবার মুখ খুলল ED
গোদরেজ ওয়াটার সাইডে আইপ্যাকের অফিসে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়Image Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 08, 2026 | 5:19 PM
Share

কলকাতা: আই প্যাকের কর্ণধার প্রতীক জৈনের ৭ নম্বর লাউড্রন স্ট্রিটের বাড়ি ও গোদরেজ ওয়াটার সাইডের অফিসে ইডির তল্লাশি। আর তল্লাশির মাঝেই মুখ্যমন্ত্রীর ঢুকে পড়া। ফাইল নিয়ে বেরিয়ে আসা। বাংলার বেনজির এই ঘটনা আজ গোটা দেশের নজর কেড়ে নিয়েছে। মুখ্যমন্ত্রীর বক্তব্য, তাঁদের দলের স্ট্র্যাটেজি, ফাইল, হার্ড ডিস্ক, প্রার্থী তালিকা হাতানোর চক্রান্ত হয়েছে। এবার মুখ খুলল ইডি। কেন তল্লাশি, কোন মামলায় তল্লাশি, সবটাই পরিস্কার করা হল ইডির তরফে।

মুখ্যমন্ত্রীর অভিযোগের জবাব এবার ইডির। ইডির তার বিবৃতিতে জানিয়েছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় আসার আগে পর্যন্ত তল্লাশি প্রক্রিয়া অত্যন্ত শান্তিপূর্ণ ছিল। তল্লাশির মাঝেই বিশাল সংখ্যক পুলিশ নিয়ে ঢুকে পড়েন মমতা। প্রতীকের বাড়ি থেকে বেশ কিছু মূল নথি, গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র, ইলেক্ট্রনিক ডিভাইস  ক্ষমতার বলে নিয়ে নেন বলে ইডির দাবি।

এরপর মুখ্যমন্ত্রীর কনভয় সল্টলেকে আইপ্যাকের অফিসে যায়। সেখানে মুখ্যমন্ত্রী, তাঁর সহকারি, রাজ্য পুলিশ জোর করে নথি, কাগজপত্র, ডিভাইস হাতিয়ে নিয়ে চলে যান বলে ইডির দাবি।

ইডির বক্তব্য, কয়লা দুর্নীতির তদন্ত হচ্ছে। এটা আর্থিক দুর্নীতি মামলায় স্বাভাবিক প্রক্রিয়া। ভোটের সঙ্গে এর কোনও সম্পর্ক নেই। কোনও রাজনৈতিক কার্যালয়ে তল্লাশি করা হয়নি।

ইডি- তরফে জানানো হয়েছে, এই মামলায় এখনও পর্যন্ত ১০ জায়গায় তল্লাশি চলছে, তার মধ্যে ৬টি বাংলা, বাকি চারটি দিল্লিতে। বাংলার মধ্যে দুটি হল প্রতীক জৈনের বাড়ি ও অফিস। সেখানেই বেনজিরভাবে ঢুকে পড়েন মমতা। সেখানে সাংবিধানিক ক্ষমতাকে কাজে লাগিয়ে অসাংবিধানিকভাবে ফাইল কেড়ে নিয়ে এসেছেন।

সূত্রের খবর, পদক্ষেপের রাস্তা খোলা রাখছে ইডি। সক্রিয়ভাবে তদন্তে বাধা দেওয়ার অভিযোগে মুখ্যমন্ত্রী কিংবা তাঁর সঙ্গে যাঁরা ছিলেন, তাঁদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ করতে পারে ইডি। সংঘাতের জায়গা চওড়া হচ্ছে।

রাজীব কুমারের সময়েও একই সংঘাত দেখা গিয়েছে। আবারও মুখ্যমন্ত্রীকে সেই পথেই হাঁটতে দেখা গেল। ঠিক একই বিষয় উল্লেখ করেছেন রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “মুখ্যমন্ত্রীর এই ধরনের কাজ সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের কাজে হস্তক্ষেপ ও তদন্তে  বাধা দান। একজন মুখ্যমন্ত্রী কেবল একজন রাজনৈতিক নেতা নেত্রীই নন, তিনি একজন প্রশাসনিক প্রধান। ইডি নিশ্চয়ই ক্ষমতাবলে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেবে বলে আমার মনে হয়েছে। আইনের মধ্যে থেকেই ব্যবস্থা নেবেন।”