Kolkata-Crime: দেহ খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে খুন! দূরদর্শনের সঙ্গীতশিল্পীর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার, আয়ার হাতে লেগেছিল রক্ত

Behala: শিল্পী অনিতা ঘোষের মৃত্যুর ঘটনায় হতবাক পরিবারের সদস্যরা। অসুস্থ স্বামীকে নিয়ে ওই বাড়িতে থাকতেন অনিতা। তাঁদের সন্তানরা তাঁদের সঙ্গে থাকতেন না। দিন ও রাতের আয়া ছিলেন বাড়িতে। এখনও পর্যন্ত কারও উপর কোনও সন্দেহের কথা বলছে না পরিবার।

Kolkata-Crime: দেহ খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে খুন! দূরদর্শনের সঙ্গীতশিল্পীর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার, আয়ার হাতে লেগেছিল রক্ত
শিল্পীর দেহ উদ্ধারImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: তন্নিষ্ঠা ভাণ্ডারী

Jan 19, 2026 | 3:09 PM

পর্ণশ্রী: বেহালার পর্ণশ্রীর আবাসনে হাড়হিম করা ঘটনা। ঘরের ভিতর থেকেই উদ্ধার সঙ্গীতশিল্পীর রক্তাক্ত দেহ। ৬৫ বছরের ওই বৃদ্ধার দেহে একাধিক আঘাতের চিহ্ন ছিল বলে জানা গিয়েছে। তাঁকে কোনও ধারাল অস্ত্র দিয়ে গোটা দেহ খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে খুন করা হয়েছে বলে দাবি পরিবারের। মৃতার নাম অনিতা ঘোষ। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে তাঁর দেহ উদ্ধার করেছে। দেহ ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে। পুলিশের জিজ্ঞাসাবাদে সবটা স্বীকার করে নিয়েছেন এক আয়া।

পর্ণশ্রী থানার অন্তর্গত শক্তিসঙ্ঘ ক্লাবের পাশে একটি আবাসনের দোতলা থেকে ওই গৃহকর্ত্রীর রক্তাক্ত দেহ উদ্ধার হয়। অনিতার স্বামী অরূপ ঘোষের বয়স ৭২। জানা গিয়েছে, অরূপ ঘোষ দূরদর্শন ও অল ইন্ডিয়া রেডিওতে চাকরি করতেন। বর্তমানে তিনি ডিমেনশিয়া রোগে আক্রান্ত। কাউকে চিনতে পারেন না। তাঁকে দেখার জন্যই বাড়িতে দুটি আয়া এবং একটি রান্নার লোককে রাখা হয়েছিল। একজন সকালে থাকেন, একজন রাতে থাকেন।

দুই আয়া এবং একজন রান্নার লোককে আটক করে নিয়ে গিয়েছে পুলিশ। পুলিশের প্রাথমিক অনুমান, ডাকাতির উদ্দেশে ওই মহিলাকে খুন করা হয়েছে। একজন আয়ার হাতে রক্ত লেগেছিল বলে প্রাথমিক তদন্তে উঠে এসেছে। গোটা ঘটনা খতিয়ে দেখছে পর্ণশ্রী থানার পুলিশ। মহেশতলায় থাকেন অনিতা ঘোষের ছেলেরা। একজন আয়াই প্রথম ফোন করে খবর দেন তাঁদের।

প্রতিবেশীরা জানিয়েছেন, অনিতা ঘোষ মৃত্যুর আগে ‘বাঁচাও বাঁচাও’ বলে চিৎকার করেছিলেন। প্রতিবেশীরা ছুটে গিয়ে দরজা ধাক্কা দিয়ে দেখেন, ভিতর থেকে দরজা আটকানো ছিল। পরবর্তীতে সঞ্জু নামে আয়া দরজা খুলে প্রতিবেশীদের বলতে থাকেন, কেউ একজন অনিতা দেবীকে মেরে পালিয়ে গিয়েছে। তাঁর কথায় প্রতিবেশীদের সন্দেহ হয়। তাঁকে আটক করে রাখেন প্রতিবেশীরা। অভিযোগ, তাঁর সঙ্গে একটি ব্যাগ ছিল, সেই ব্যাগের মধ্যে বেশ কিছু সোনার গয়না এবং নগদ টাকা ছিল। পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ গিয়ে ওই মহিলাকে এবং আরও দু’জনকে আটক করে জিজ্ঞাসাবাদ করে। পুলিশ সূত্রে খবর, অভিযুক্ত সঞ্জু এদিন স্বীকার করে নিয়েছেন যে তিনি এই ঘটনা ঘটিয়েছেন। এই ঘটনার পিছনে উদ্দেশ্য কি শুধুমাত্র ডাকাতি নাকি অন্য কোনও কারণ? খতিয়ে দেখছে পুলিশ।