AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

EC: সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড! CEC-কে হুমকি দেওয়ায় BNS এর ধারা উল্লেখ করে কমিশনকে অভিযোগ

Bengal BJP To EC: শুক্রবার মেট্রো চ্যানেলে মুখ্যমন্ত্রীর ধরনা মঞ্চ থেকে দেশের মুখ্য় নির্বাচন কমিশনারের আঙুল কেটে নেওয়ার মতো হুমকি দিয়েছিলেন কল্যাণ। তার পাল্টা এবার নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিল বিজেপি। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে। 

EC: সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড! CEC-কে হুমকি দেওয়ায় BNS এর ধারা উল্লেখ করে কমিশনকে অভিযোগ
জ্ঞানেশ কুমারকে হুঁশিয়ারি কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়েরImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Mar 08, 2026 | 3:54 PM
Share

কলকাতা: মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। গত শুক্রবার মেট্রো চ্যানেলে মুখ্যমন্ত্রীর ধরনা মঞ্চ থেকে দেশের মুখ্য় নির্বাচন কমিশনারের আঙুল কেটে নেওয়ার মতো হুমকি দিয়েছিলেন কল্যাণ। তার পাল্টা এবার নির্বাচন কমিশনকে চিঠি দিল বিজেপি। চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে, দেশের মুখ্য নির্বাচন কমিশনারের মর্যাদা ক্ষুণ্ণ করা হয়েছে।  এই ঘটনাকে অত্যন্ত গুরুতর বলে উল্লেখ করে বলা হয়েছে, একটি সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের প্রধানকে এই ধরনের হুমকি দেওয়া হলে তা শুধু ব্যক্তিগত বিষয় নয়, বরং নির্বাচন কমিশনের মর্যাদাকেও ক্ষুণ্ণ করে।

ঠিক কী বলেছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়?

কল্যাণের বক্তব্য ছিল রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে অপমান করেছিলেন CEC। মমতার দিকে আঙুল উঁচিয়ে কথা বলেছিলেন বলে কল্যাণের দাবি। সেই ঘটনা প্রসঙ্গ উত্থাপন করেই কল্যাণ বলেন, “আমি তো সেদিন ছিলাম, কী দুর্ব্যবহার মমতাদির সঙ্গে করেছেন, আপনারা কল্পনা করতে পারবেন না। আঙুল তুলে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কথা বলছেন।” এই কথার রেশ টেনেই হুঁশিয়ারি দেন, “আরে আঙুল তুলে তুমি কাকে কথা বলছো? তুমি যদি চিফ ইলেকশন কমিশনার না হতে, আঙুলটা তোমার কেটে বাদ দিয়ে আসতাম।” এখানেই থামেননি কল্যাণ। তিনি বলেন, “আপনি তো এক দেড় বছর এসেছে চিফ ইলেকশন কমিশনার হয়ে। আপনি তো এসেছেন অমিত শাহর দয়ায়। আপনি কোঅপারেটিভ সেক্রেটারি ছিলেন। কমিটিতে আমার সামনে আপনি অ্যাপিয়ার করেছিলেন, আপনার জ্ঞান কত আছে, আমার জানা আছে। আপনি কিচ্ছু জানেন না। আপনি একটা গোয়ার গোবিন্দ লোক!”

চিঠিতে কী লিখেছে বিজেপি?

চিঠিতে ভারতীয় ন্যাস সংহিতার বেশ কয়েকটি ধারা উল্লেখ করেছে বিজেপি।

BNS, ধারা ২২৪: সরকারি কর্মচারীকে আঘাতের হুমকি

যে ব্যক্তি কোনও সরকারি কর্মচারীকে আঘাত করার হুমকি দেন, এবং হুমকি দিয়ে তাঁকে তাঁর দায়িত্ব পালন করা থেকে বিরত করার চেষ্টা করেন, বা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে সরকারি কাজে দেরি করান, তাহলে তিনি এই ধারায় দোষী সাব্যস্ত হবেন। এই অপরাধের জন্য তাঁকে সর্বোচ্চ দুই বছর পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা জরিমানা করা যেতে পারে।

BNS ধারা ৩৫১(১: ফৌজদারি ভয়ভীতি প্রদর্শন

যে ব্যক্তি কোনভাবে অন্য কাউকে হুমকি দেন, কিংবা তাঁর শারীরিক ক্ষতি কিংবা সম্মানহানির চেষ্টা করেন, যাঁর সঙ্গে ব্যক্তি স্বার্থ যুক্ত, তাহলে তাঁর বিরুদ্ধে এই ধারা প্রযোজ্য। কোনও সরকারি কর্মীকে ভয় দেখিয়ে তাঁর কাজ থেকে বিরত করার চেষ্টা করা, যেটি আদতে ওই সরকারি কর্মী আইন অনুযায়ী করার অধিকার রাখেন, সেক্ষেত্রে এই ধারা প্রযোজ্য।

BNS ধারা ২২১: সরকারি কর্মচারীর সরকারি কাজ সম্পাদনে বাধা

যে ব্যক্তি ইচ্ছাকৃতভাবে কোনও সরকারি কর্মচারীর সরকারি দায়িত্ব পালনে বাধা সৃষ্টি করে,  তাহলে এই ধারায় তাঁকে দোষী সাব্যস্ত করা যেতে পারে। সেক্ষেত্রে সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত কারাদণ্ড, অথবা আড়াই হাজার টাকা পর্যন্ত জরিমানা হতে পারে।

এই ধারাগুলোর কথা উল্লেখ করে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের বিরুদ্ধে নির্বাচন কমিশনের কাছে চিঠি করেছে বিজেপি।