Election Commission Rule: জেলে থেকে ভোটে লড়ার নিয়ম কী? কীভাবে হবে প্রচার?
Candidate in Jail: মনোনয়ন জমা দেওয়া হয়ে গিয়েছে ইতিমধ্যেই। তারপরই গ্রেফতার হয়েছেন কংগ্রেস প্রার্থী। এই ঘটনায় সরব হয়েছেন রাহুল গান্ধী সহ কংগ্রেসের কেন্দ্রীয় নেতৃত্ব। প্রশ্ন হল, জামিন না পেলেও কি ভোটে লড়তে পারবেন মিলন প্রধান?

কলকাতা: নন্দীগ্রাম উপনির্বাচনের কংগ্রেস প্রার্থীকে গ্রেফতার করা হয়েছে শুক্রবার। পুরনো খুনের মামলায় গ্রেফতার করা হয়েছে তাঁকে। তবে এর জন্য তাঁর মনোনয়ন বাতিল করবে না কমিশন। আজ, শনিবার কংগ্রেস প্রার্থী মিলন প্রধানতে আদালতে তোলা হয়েছে। তবে তিনি জামিন না পেলেও ভোটে লড়তে কোনও অসুবিধা হবে না।
কী নিয়ম নির্বাচন কমিশনের?
নিয়ম অনুযায়ী, দু’বছরের কম সাজাপ্রাপ্ত হলে নির্বাচন কমিশনের এক্ষেত্রে কোনও বাধা থাকবে না। স্ক্রুটিনিতে বাধা হবে না এই গ্রেফতারি। জেলে বন্দি থাকলেও কংগ্রেস প্রার্থীর হয়ে জেলের বাইরে প্রচার করতে পারবে কংগ্রেস নেতৃত্ব। প্রচারের জন্য জেলের ভিতর থেকে প্রার্থীর রেকর্ড করা বক্তব্য জনসভায় মাইকে প্রচার করাও যায়। এর আগেও একাধিক নেতার জেল থেকে নির্বাচনে লড়ার অভিজ্ঞতা রয়েছে।
১৯৭৭ সালে গোপীবল্লভপুর বিধানসভায় প্রার্থী সন্তোষ রানা জেল থেকে লড়াই করেন। নির্দল প্রার্থী হিসেবে জয়ী হন তিনি।
১৯৯৬ সালে অধীর রঞ্জন চৌধুরী জেলে বন্দি থাকা অবস্থায় প্রার্থী হয়েছিলেন। মুর্শিদাবাদের নবগ্রাম কেন্দ্র থেকে প্রার্থী হয়েছিলেন তিনি। বাম প্রার্থীকে পরাজিত করে প্রথমবারের জন্য বিধায়ক হন তিনি।
২০১৬ সালে কামারহাটি বিধানসভার প্রার্থী মদন মিত্র জেলে থেকে বিধানসভা নির্বাচনে লড়েন। ৪ হাজারের বেশি ভোটে হেরে গিয়েছিলেন তিনি।
২০২৩ সালে আনারুল হক ওরফে বিপ্লব পঞ্চায়েত নির্বাচনের দিনই গ্রেফতার হন। কংগ্রেস প্রার্থী হিসেবে জয়ীও হন তিনি।
