Girish Park: পুলিশের রিপোর্ট না পসন্দ, আবার রিপোর্ট দিতে বলল কমিশন
প্রতি দফায় প্রায় ২৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানা গিয়েছে কমিশন সূত্রে। কোথায়, কত বাহিনী মোতায়েন করতে হবে, শান্তিতে ভোট করাতে কত কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন, স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা কত বৃদ্ধি পেল, এই সমস্ত বিষয় নিয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কলকাতার পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে আলোচনা হল নির্বাচন কমিশনের।

কলকাতা: গিরিশপার্কের ঘটনায় কেন কেন্দ্রীয় বাহিনী ডাকা হয়নি? তার উল্লেখ নেই পুলিশের রিপোর্টে। পুলিশ রিপোর্ট নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করল নির্বাচন কমিশন। কলকাতার পুলিশ কমিশনারের কাছে আবারও রিপোর্ট চাইল কমিশন। গত সপ্তাহে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর ব্রিগেডের সভার দিন আচমকা উত্তপ্ত হয়ে ওঠে গিরিশ পার্ক। মন্ত্রী শশী পাঁজার বাড়ি লক্ষ্য করে পাথর ছোড়া হয় বলে অভিযোগ ওঠে। আহত হন মন্ত্রী। দু পক্ষের ধস্তাধস্তিতে আহত হন একাধিক বিজেপি নেতারও।
সিইও দফতর সূত্রে খবর, ওই ঘটনা নিয়ে পুলিশের রিপোর্টে বলা হয়েছে কত এফআইআর হল, কত জন গ্রেফতার হয়েছেন। কিন্তু আগাম সতর্কতা কী ছিল? এক ঘণ্টা ধরে অশান্তি চললেও কেন কেন্দ্রীয় বাহিনী ডাকা হয়নি, তার কোনও উল্লেখ নেই। সেই কারণে পুনরায় আবার রিপোর্ট চাওয়া হয়েছে।
এদিকে, প্রতি দফায় প্রায় ২৫০০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হবে বলে জানা গিয়েছে কমিশন সূত্রে। কোথায়, কত বাহিনী মোতায়েন করতে হবে, শান্তিতে ভোট করাতে কত কেন্দ্রীয় বাহিনী প্রয়োজন, স্পর্শকাতর বুথের সংখ্যা কত বৃদ্ধি পেল, এই সমস্ত বিষয় নিয়ে রাজ্য পুলিশের ডিজি ও কলকাতার পুলিশ কমিশনারের সঙ্গে আলোচনা হল নির্বাচন কমিশনের।
নির্বাচনের সময় আদর্শ আচরণবিধি ভঙ্গ-সহ প্রায় দেড় থেকে ২ লক্ষ অভিযোগ জমা পড়ে সিইও দফতরে। ওই সব অভিযোগগুলি দ্রুত নিষ্পত্তির জন্য সচিব পদ মর্যাদার আধিকারিক নিয়োগ করছে কমিশন। একটি অভিযোগ সেল গঠন করা হবে। সিইও দফতর সূত্রে খবর, আপাতত ৯ জন আধিকারিক নিয়োগ করা হবে। তাঁদের মধ্যে ৬ জন মাইক্রো অবজার্ভার থাকবেন। নবান্নের কাছে ৩-৪ জন অফিসার চাওয়া হবে। ৮ ঘণ্টার মধ্যে নিষ্পত্তি করার চেষ্টা করা হবে।
