SIR: সুপ্রিম কোর্টে মমতার প্রত্যাঘাতের দিনই রাজ্যকে পত্রাঘাত কমিশনের
Election Commission: কমিশনের নির্দেশের পরেও তিনজন ইলেক্টোরাল রোল অবজারভারের বদলি বাতিল করা হয়নি বলে অভিযোগ। নির্বাচন কমিশনের আরও দাবি, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও এসডিও (SDO) বা এসডিএম (SDM) স্তরের আধিকারিকদের ইআরও এবং রিটার্নিং অফিসার হিসেবে সঠিকভাবে নিয়োগ করা হয়নি, যা সরাসরি কমিশনের নির্দেশের বিরোধী।

নয়া দিল্লি: শীর্ষ আদালতের এজলাসে দাঁড়িয়ে বুধবার নির্বাচন কমিশনের বিরুদ্ধে একের পর এক অভিযোগ তুলেছেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। নির্বাচন কমিশনকে হোয়াটসঅ্যাপ কমিশন বলেও কটাক্ষ করেছেন তিনি। দিনভর আলোচনার শীর্ষে ছিল মমতার সেই সওয়াল। আর এদিনই নির্বাচন কমিশনের তরফ থেকে এলে কড়া বার্তা, কড়া চিঠি দেওয়া হল রাজ্যের মুখ্যসচিবকে।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ অমান্য করার অভিযোগে মুখ্যসচিবকে কড়া চিঠি দিয়েছে নির্বাচন কমিশন। একাধিক নির্দেশ এখনও মানা হয়নি বলে অভিযোগ কমিশনের।
নির্বাচন কমিশনের তরফে জানানো হয়েছে, যে সব আধিকারিকদের বিরুদ্ধে এফআইআর (FIR) দায়ের করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, সেই নির্দেশ এখনও কার্যকর হয়নি। বসিরহাট ২-এর বিডিও ও এইআরও (AERO) সুমিত্র প্রতিম প্রধানকে বরখাস্ত করার নির্দেশ মানা হয়নি বলে চিঠিতে জানিয়েছে নির্বাচন কমিশন। অভিযোগ, সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ অমান্য করে তিনি নিজের উদ্যোগে অতিরিক্ত আধিকারিক নিয়োগ করেছিলেন।
কমিশনের নির্দেশের পরেও তিনজন ইলেক্টোরাল রোল অবজারভারের বদলি বাতিল করা হয়নি বলে অভিযোগ। নির্বাচন কমিশনের আরও দাবি, যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও এসডিও (SDO) বা এসডিএম (SDM) স্তরের আধিকারিকদের ইআরও এবং রিটার্নিং অফিসার হিসেবে সঠিকভাবে নিয়োগ করা হয়নি, যা সরাসরি কমিশনের নির্দেশের বিরোধী।
কমিশনের তরফে রাজ্য সরকারকে আগামী ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময় দেওয়া হয়েছে। বিকেল ৩টের মধ্যে সব বিষয়ে রিপোর্ট জমা দেওয়ার চূড়ান্ত সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে।
