Kolkata Airport: ককপিটে ‘রঙিন আলো’, কলকাতায় বিমান অবতরণের আগে সে এক কাণ্ড!
Kolkata: স্বভাবতই এই ধরনের ঘটনার জেরে বড় বিপদ ঘটতে পারত। সে সময় বিমানে ১৩১ জন যাত্রী, ৬ জন কেবিন ক্রু। ৬টা ৫৫ নাগাদ বিমানটি অবতরণ করে দমদম কলকাতা বিমানবন্দরে। বিষয়টি নিয়ে পাইলট সিকিউরিটি অপারেশনাল কন্ট্রোল সেন্টারে নালিশ জানান। যেহেতু গঙ্গানগরের দিক থেকে এই আলো এসেছে, তাই অভিযোগটি মধ্যমগ্রাম থানায় পাঠানো হয়েছে। তারা তদন্ত করে দেখছে।

কলকাতা: বিমানবন্দর চত্বরে লেজারের আলোর ঝলকানি কিছুতেই ঠেকানো যাচ্ছে না। এবার সেই আলো এসে পড়ল ককপিটে। আর তাতেই চোখ ধাধিয়ে গেল চালক, সহকারী চালকের। দিক নির্ণয়ে রীতিমতো সমস্যা হয় তাঁদের। কোনওমতে অবতরণ করান বিমান। কলকাতা বিমানবন্দর সূত্রে খবর, পাটনা থেকে কলকাতা বিমানবন্দরে ইন্ডিগোর বিমান ৬ই৩৪২ অবতরণ করার সময় ৪ নটিক্যাল মাইল দূরে গঙ্গানগরের দিক থেকে লেজার আলোর ঝলকানিতে ভরে যায় ককপিট। তাতে বিভ্রান্ত হয়ে পড়েন চালক ও সহকারী চালক।
স্বভাবতই এই ধরনের ঘটনার জেরে বড় বিপদ ঘটতে পারত। সে সময় বিমানে ১৩১ জন যাত্রী, ৬ জন কেবিন ক্রু। ৬টা ৫৫ নাগাদ বিমানটি অবতরণ করে দমদম কলকাতা বিমানবন্দরে। বিষয়টি নিয়ে পাইলট সিকিউরিটি অপারেশনাল কন্ট্রোল সেন্টারে নালিশ জানান। যেহেতু গঙ্গানগরের দিক থেকে এই আলো এসেছে, তাই অভিযোগটি মধ্যমগ্রাম থানায় পাঠানো হয়েছে। তারা তদন্ত করে দেখছে।
এই প্রথম নয়। এর আগে গত ২৫ ফেব্রুয়ারি বেঙ্গালুরু থেকে কলকাতা আসা ইন্ডিগোর ৬ই ২২৩ বিমানটি ১৬৫ জন যাত্রী ও ৬ জন কেবিন ক্রু নিয়ে আসার সময় একই ঘটনার মুখে পড়ে। ২৮ ফেব্রুয়ারি আগরতলা থেকে কলকাতা আসা ইন্ডিগো ৬ই ৯৬১ বিমানও অবতরণের সময় ককপিটে আলো পড়ে। বিমানে ১৫৩ জন যাত্রী ছিলেন। ৬ জন কেবিন ক্রু। আবারও বৃহস্পতিবার এই ঘটনা। বারবার এমনটা ঘটছে, তারপরও কেন কড়া ব্যবস্থা নেওয়া যাচ্ছে না, উঠছে প্রশ্ন। যাত্রী সুরক্ষার কথা ভেবে সমস্য়াটি কঠোর হাতে সমাধান করা প্রয়োজন বলেই মত যাত্রীদের।
