Argentina vs Spain Fight: বিশ্বকাপ ফাইনালে মারামারি, বড় শাস্তির মুখে আর্জেন্টিনা? তদন্তে নামল ফিফা!
Argentina vs Spain: ২০১৪ সালে সুয়ারেজের চিয়েলিনিকে কামড়ে দেওয়ার ঘটনা আজও ভোলেনি ফুটবলবিশ্ব। সেই ঘটনার জন্য সুয়ারেজকে চার মাসের জন্য সব ধরণের ফুটবল থেকে সাসপেন্ড করেছিল ফিফা। তবে এবার কী সিদ্ধান্ত নেবে ফিফা,সেই দিকেই তাকিয়ে স্পেনের সমর্থকরা।

আমেরিকা : বিশ্বকাপ ফাইনাল হয়ে যাওয়ার পরেও বিতর্ক অব্যাহত। ফাইনালে স্পেনের কাছে ১-০ গোলে হেরে বিশ্বকাপ হাতছাড়া হয়েছে আর্জেন্টিনার। তবে ম্যাচ শেষের পরে ঘটে যায় এক অপ্রীতিকর ঘটনা। ম্যাচ শেষ হওয়ার পরেই দুই দেশের ফুটবলারদের মধ্যে হাতাহাতি ও ধাক্কাধাক্কির অভিযোগ ওঠে। এই ঘটনার ফলে নিন্দায় সরব নেটিজেনরা। তবে এবার সেই ঘটনায় আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরু করল ফিফা। বিশ্ব ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ামক সংস্থা জানিয়েছে, পুরো ঘটনার তদন্তের জন্য নিয়োগ করা হয়েছে এক তদন্তকারী অফিসারকে।
ফিফা জানিয়েছে, তদন্তে যদি কোনও ফুটবলার বা কোচ দোষী প্রমাণিত হন, তাহলে তাঁদের বিরুদ্ধে নির্বাসন বা ম্যাচ নিষেধাজ্ঞার মতো কঠোর শাস্তি হতে পারে। একই সঙ্গে বড় অঙ্কের জরিমানার মুখে পড়তে পারে আর্জেন্টিনা ফুটবল সংস্থা। গোটা ম্যাচে একটিও গোলমুখী শট মারতে পারেনি আর্জেন্টিনা। প্রথম থেকে স্পেনের কাছে অসহায় আত্মসমর্পণ করেন মেসিরা। কিন্তু ম্যাচের পর এত মারামারি কিসের? এই নিয়েই সরব অনেকে।
ম্যাচের মধ্যেই ওটামেন্ডির সঙ্গে রদ্রির ঝামেলা হয়। তবে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয় এনজো ফার্নান্দেজের লাল কার্ডের পর। এরিক গার্সিয়ার সঙ্গে ঝামেলা হল পারাদেসের। এর প্রতিবাদে গাভি কিছু বলতে গেলে তাঁর মুখে সপাটে ঘুষি চালান পারাদেস। সঙ্গে সঙ্গে পরিস্থিতি শান্ত করতে ছোটেন আর্জেন্টিনা কোচ লিওনেল স্কালোনি। কিন্তু তাতেও থামানো যায়নি তাঁদের। রেফারি সঙ্গে সঙ্গে লাল কার্ড দেখান পারাদেসকে। এই ঘটনা নিয়েই তদন্ত ফিফার। তবে এই ঘটনা নিয়ে সমালোচনায় মুখর গোটা বিশ্ব। নেটিজেনদের কথায়, “যারা ১২০ মিনিটে একটাও গোলমুখী শট নিতে পারেনা, তাদের এত ঔদ্ধত্য কীসের?”
ম্যাচের শেষে প্রাক্তন জার্মান ফুটবলার টনি ক্রুস সমাজমাধ্যমে লেখেন,“ফুটবল জিতল।” এমনকি স্পেনের ট্রফি সেলিব্রেশনের সময় কেন আর্জেন্টিনা সমর্থকরা পিছন ফিরে দাঁড়িয়েছিলেন? অনেকেই বলছেন, হার-জিৎ থাকবেই, তাই বলে স্পোর্টম্যানশিপ স্পিরিট বলেও কি কিছু নেই আর্জেন্টিনার? একটুও শিক্ষা নেই? তাই, এত মারামারি-হাতাহাতিকে একটুও খাটো করে দেখতে নারাজ ফিফা। এর পাশাপাশি ইংল্যান্ডকে হারানোর পর ফকল্যান্ড দ্বীপপুঞ্জ নিয়ে রাজনৈতিক বার্তা নিয়ে ব্যানার প্রদর্শনও করেছে আর্জেন্টিনা। ২০১৪ সালে সুয়ারেজের চিয়েলিনিকে কামড়ে দেওয়ার ঘটনা আজও ভোলেনি ফুটবলবিশ্ব। সেই ঘটনার জন্য সুয়ারেজকে চার মাসের জন্য সব ধরণের ফুটবল থেকে সাসপেন্ড করেছিল ফিফা। তবে এবার কী সিদ্ধান্ত নেবে ফিফা,সেই দিকেই তাকিয়ে স্পেনের সমর্থকরা। এই ন্যক্কারজনক ঘটনার ফলে একই বিশ্বকাপে দুটি পৃথক বিতর্কে জড়িয়ে পড়ল আর্জেন্টিনা।
