
পাটুলি: ভোটের মুখে মধ্যরাতে পাটুলিতে গ্যাংওয়ার। দুষ্কৃতী সংঘর্ষে শ্যুটআউট। ১০১ নম্বর ওয়ার্ড অফিস থেকে ঢিল ছোঁড়া দূরত্বে গুলি। সংঘর্ষে নিহত তৃণমূল কর্মী রাহুল দে। জখম আরও এক। তাতেই ভোট-বাংলায় ফের একবার শহরের আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে উঠে গেল বড়সড় প্রশ্ন। সূত্রের খবর, সঙ্গী জিৎকে নিয়ে বাড়ির ছাদে মদ্যপান করছিল রাহুল। অভিযোগ, আচমকা হামলা চালায় বিরোধী গোষ্ঠীর দুষ্কৃতীরা। দুই গোষ্ঠীর গ্যাংওয়ারে চলে তিন রাউন্ড গুলি। চারজনকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। এখনও অধরা বাকিরা। এদিকে জিতের সঙ্গে ইতিমধ্যেই আবার মেয়র ফিরহাদ হাকিমের ছবি সামনে আসতেই তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে চাপানউতোর শুরু হয়ে গিয়েছে।
এদিকে আহত জিৎ মুখোপাধ্যায় একসময় শাসক-ঘনিষ্ঠ হলেও স্থানীয় তৃণমূল কাউন্সিলর বাপ্পাদিত্য দাশগুপ্তর দাবি ব্যক্তিগত অশান্তির কারণে দল তাঁকে দূরে সরিয়ে দিয়েছিল। ওয়ার্ডেও থাকতো না। ছবি বিতর্কে ফিরহাদ হাকিম বলছেন, “ছবি কে কার রইল তাতে কী! এই যে আমি ঘুরছি, কত লোকের ছবি আছে। ছবি থাকলেই সে আমার লোক বা পার্টির লোক সেটা নয়! ছবি থাকতেই পারে, কিন্তু কেউ যদি অন্য়ায় করে তাঁকে গ্রেফতার করতেই হবে।” একইসঙ্গে বিজেপির বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে তিনি বলছেন, “এর পিছনে বিজেপি মদতপুষ্ট দুষ্কৃতীরা থাকতে পারে। এটা পুলিশ দেখবে। আইন আইনের পথে চলবে। দুষ্কৃতীরা শেষ কথা বলবে না। আইন শেষ কথা বলবে।”
সুর চড়িয়েছেন সিপিএমের কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য সুজন চক্রবর্তী। তিনি বলছেন, “পুরো পাড়ার মধ্যে যেভাবে খুন হল তাতে গোটা এলাকার মানুষ আতঙ্কিত। তাঁরা দেখছে এদের পিছনে পুলিশ। বিধায়ক তো দু’দিন আগে এদের সঙ্গে ঘুরেছে।” বিতর্কের মধ্যে যাদবপুরের তৃণমূল প্রার্থী দেবব্রত মজুমদার বলছেন, “আমার মনে হচ্ছে এর পিছনে কোনও একটা ষড়যন্ত্র থাকতে পারে। এর সব বাইরের লোক। কোথা থেকে এল, কীভাবে এল, কারা পাঠালো?”