Harassment: ট্রেনে তরুণীকে হেনস্থার ঘটনায় জাতীয় মহিলা কমিশনের স্বতঃপ্রণোদিত মামলা
Harassment: আক্রান্ত তরুণীর বক্তব্য, "নৈহাটি পুলিশ সে সময়ে আমার কথা শুনে কোনও পদক্ষেপই করেনি। সংবাদমাধ্যমে খবর হওয়ার পরই ভয়ে ওরা আমাকে ফোন করে। আমি এখন নৈহাটি থানায় দেখা করতে বলা হচ্ছে। আমি দেখা করতে আর রাজি নই। কারণ সে সময়ে যখন কোনও পদক্ষেপ করল না, এখন কেন যাব?"

সত্যজিৎ মণ্ডল: ট্রেনে তরুণী ও তাঁর পরিবারকে মারধরের ঘটনায় পদক্ষেপ। স্বতঃপ্রণোদিত মামলা দায়ের করল জাতীয় মহিলা কমিশনের। রেলকে যথাযথ ব্যবস্থা নিতে আবেদন অর্চনা মজুমদারের। তদন্ত করে দেখা হচ্ছে, জানিয়েছে রেলও। তরুণীর থেকে ট্রেনের টিকিট নম্বর নাম জানতে চেয়েছে রেল। জাতীয় মহিলা কমিশনের সদস্যা অর্চনা মজুমদার বলেন, “এই ঘটনা থেকে প্রমাণিত হয়, আইন শৃঙ্খলা কোথায় গিয়ে পৌঁছেছে। পুলিশ প্রশাসন, রেলওয়ে কী কাজ করছে? কেন ঘটল? দোষীরা বেরিয়ে কেন গেল?”
আক্রান্ত তরুণীর বক্তব্য, “নৈহাটি পুলিশ সে সময়ে আমার কথা শুনে কোনও পদক্ষেপই করেনি। সংবাদমাধ্যমে খবর হওয়ার পরই ভয়ে ওরা আমাকে ফোন করে। আমি এখন নৈহাটি থানায় দেখা করতে বলা হচ্ছে। আমি দেখা করতে আর রাজি নই। কারণ সে সময়ে যখন কোনও পদক্ষেপ করল না, এখন কেন যাব?”
পূর্ব রেলের পিআরও দীপ্তিময় দত্ত বলেন, “সমস্ত ট্রেনের পুলিশ স্কোয়াড থাকে। মহিলা কামরায় পুরুষ যাত্রী উঠলেই, পদক্ষেপ করি। তার মধ্যেও বিচ্ছিন্ন ঘটনা ঘটে। কিন্তু পদক্ষেপ অবশ্যই করা হবে।”
তারাপীঠ থেকে পুজো দিয়ে কলকাতায় ফিরছিলেন তরুণী ও তাঁর পরিবার। বোলপুর স্টেশনে ১৫-১৬ জনের একটি যুবকের দল ওঠেন ট্রেনে। অভিযোগ ট্রেনে সিটে বসা নিয়ে কথা কাটাকাটি শুরু হয়। যেহেতু গরিয়ার পরিবারের সবাই মহিলা তারা কোনও প্রতিবাদ না করে চুপচাপ ট্রেনে বসে থাকে।
অভিযোগ, সেই সময় এই পরিবারের এই সবচেয়ে বয়স্ক মহিলা সদস্যের মুখে লাথি মারে এক যুবক। তারাপীঠ থেকে পুজো দেওয়া প্রসাদের বাক্স ও ছুড়ে ফেলে দেওয়া হয় ট্রেন থেকে। তারপর গড়িয়ার পরিবারের সবচেয়ে কনিষ্ঠ মহিলা সদস্য সে প্রতিবাদ করা তার পড়ার জ্যাকেট ছিঁড়ে ফেলা হয় মারধর করা হয়। পরবর্তীকালে অন্যান্য মহিলারা আসলে, তাঁদের গায়েও হাত দেওয়া হয় বলে অভিযোগ।

