Teacher Recruitment: প্রধান শিক্ষকদের খুঁজে বের করতে হবে বেআইনি বা সন্দেহজনক নিয়োগ!
West Bengal School: সব জেলার স্কুল পরিদর্শকদের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছিল কমিশনারের অফিস থেকে। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ইস্যু করা ওই চিঠিতে জেলা স্কুল পরিদর্শকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, কোথাও কোনও বেআইনি বা সন্দেহজনক নিয়োগ রয়েছে কি না তা খুঁজে বের করতে হবে। জেলা স্কুল পরিদর্শকদের বলা হয়েছিল, ১০ দিনের মধ্যে সেই কাজ শেষ করে একটি রিপোর্ট জমা দিতে হবে।

কলকাতা: আরও কোনও স্কুলে সন্দেহজনক কিংবা বেআইনি কোনও নিয়োগ নেই তো? এবার তা খুঁজতে হবে স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের। এই মর্মে জেলা স্কুল পরিদর্শকের অফিস থেকে চিঠি পাঠানো হচ্ছে সব স্কুলের প্রধান শিক্ষকদের কাছে। সম্প্রতি স্কুল সার্ভিস কমিশনের চেয়ারম্যান, মধ্য শিক্ষা পর্ষদের সভাপতি ও স্কুল শিক্ষার কমিশনার বৈঠকে বসেছিলেন। সেই বৈঠকের পরই সব জেলার স্কুল পরিদর্শকদের কাছে একটি চিঠি পাঠানো হয়েছিল কমিশনারের অফিস থেকে। গত ২৩ ফেব্রুয়ারি ইস্যু করা ওই চিঠিতে জেলা স্কুল পরিদর্শকদের নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল, কোথাও কোনও বেআইনি বা সন্দেহজনক নিয়োগ রয়েছে কি না তা খুঁজে বের করতে হবে। জেলা স্কুল পরিদর্শকদের বলা হয়েছিল, ১০ দিনের মধ্যে সেই কাজ শেষ করে একটি রিপোর্ট জমা দিতে হবে।
উল্লেখ্য, রাজ্যে নিয়ম বহির্ভূতভাবে শিক্ষক পদ চাকরি পাওয়ার একাধিক অভিযোগ উঠে এসেছে। শিক্ষক নিয়োগ দুর্নীতির অভিযোগে জোরকদমে তদন্ত চালাচ্ছে দুই কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা ইডি ও সিবিআই। এদিকে রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা সিআইডিও আলাদাভাবে তদন্ত চালাচ্ছে। রাজ্যের গোয়েন্দা সংস্থা তদন্তেও একাধিক বেআইনি নিয়োগের অভিযোগ উঠে এসেছে।
মুর্শিদাবাদের গোথা হাইস্কুলে বেআইনি নিয়োগের অভিযোগের তদন্ত চালাচ্ছে সিআইডি। এদিকে সেই তদন্তের মাঝেই রাজ্য গোয়েন্দা সংস্থার হাতে আরও অভিযোগ উঠে আসতে শুরু করেছে। বাঁকুড়া ও পূর্ব মেদিনীপুরের দু’টি স্কুলেও বেআইনি নিয়োগের অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেছে সিআইডি। এসবের মধ্যেই এবার সব জেলার স্কুল পরিদর্শকদের কাছে চিঠি পাঠানো হল। আরও কোথাও কোনও বেআইনি বা সন্দেহজনক নিয়োগ রয়েছে কি না, সেই বিষয়ে তথ্য তলব করা হয়েছে।
