Rachana Banerjee: মিমি-নুসরতের সঙ্গে দেখা হলে এই কথাটাই বলতে চান রচনা…

Rachana Banerjee: গত লোকসভায় মিমি চক্রবর্তী, নুসরত জাহানদেরও প্রার্থী করা হয়েছিল। ভোটে জিতে সাংসদও হয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু পাঁচ বছরের টার্ম শেষ হওয়ার পর, এবার আর তাঁদের টিকিট দেয়নি ঘাসফুল শিবির। রাজনীতির ময়দানে পা রাখার আগে রচনা কি কোনও টিপস নিয়েছেন তাঁদের থেকে? 'না বললেই নয়' অনুষ্ঠানে টিভি নাইন বাংলার ম্যানেজিং এডিটর অমৃতাংশু ভট্টাচার্যের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় কী বললেন হুগলিতে তৃণমূলের তারকা প্রার্থী?

Rachana Banerjee: মিমি-নুসরতের সঙ্গে দেখা হলে এই কথাটাই বলতে চান রচনা...
মিমি ও নুসরত প্রসঙ্গে কী বললেন রচনাImage Credit source: Facebook

| Edited By: Soumya Saha

Mar 26, 2024 | 3:51 PM

কলকাতা: হুগলির হারানো জমি ফিরে পেতে এবার ছোট পর্দার ‘দিদি নম্বর ওয়ান’ রচনা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রার্থী করেছে তৃণমূল। প্রার্থী হওয়ার পরই একেবারে মাঠে-ময়দানে নেমে প্রচারে ঝড় তুলেছেন রচনা। অতীতে বিভিন্ন সময়ে অভিনয় জগত থেকে অনেককেই ভোটের টিকিট দিয়েছে তৃণমূল। গত লোকসভায় মিমি চক্রবর্তী, নুসরত জাহানদেরও প্রার্থী করা হয়েছিল। ভোটে জিতে সাংসদও হয়েছিলেন তাঁরা। কিন্তু পাঁচ বছরের টার্ম শেষ হওয়ার পর, এবার আর তাঁদের টিকিট দেয়নি ঘাসফুল শিবির। রাজনীতির ময়দানে পা রাখার আগে রচনা কি কোনও টিপস নিয়েছেন তাঁদের থেকে? ‘না বললেই নয়’ অনুষ্ঠানে টিভি নাইন বাংলার ম্যানেজিং এডিটর অমৃতাংশু ভট্টাচার্যের সঙ্গে একান্ত আলাপচারিতায় কী বললেন হুগলিতে তৃণমূলের তারকা প্রার্থী?

রচনার স্পষ্ট কথা, মিমি বা নুসরতের থেকে টিপস নেওয়ার কথা তাঁর মাথাতেও আসেনি এবং প্রয়োজনও হয়নি। কেন দুই বিদায়ী তারকা সাংসদের থেকে টিপস নেওয়া কথা ভাবেননি রচনা, সেটাও খোলসা করলেন তিনি। বললেন, ‘ সবকিছু এত তাড়াতাড়ি হয়েছে… আর আমি সিদ্ধান্তও নিয়ে ফেলেছিলাম। আমি তো দিদিকে এখন নতুন চিনি না। নেত্রীকে আমি ২০১১ সালের আগে থেকেই চিনি। হয়ত রাজনীতিতে এখন এলাম, কিন্তু পরিচিতি অনেক দিনের। দিদি আমাকে বলছেন, তাঁর পাশে থাকার জন্য… এটাই আমার কাছে সবথেকে বড় জিনিস।’ সেই কারণেই নতুন প্রজন্মের যাঁরা এ ক’দিন রাজনীতিতে ছিলেন, কিন্তু এখন আর করছেন না… তাঁদের থেকে পরামর্শ নেওয়ার প্রয়োজন বোধ হয়নি রচনার।

তবে তৃণমূলের তারকা প্রার্থী এও জানালেন, প্রত্যেকেই তাঁর বন্ধু। বললেন, ‘কখনও সামনাসামনি দেখা হলে আমি জিজ্ঞেস করব, তাঁরা কেন দিদির সঙ্গে নেই। কিন্তু ওদের চিন্তাভঙ্গির সঙ্গে আমার চিন্তাভাবনা নাও মিলতে পারে। আমি রাজনীতিতে আসব, কি আসব না, সে বিষয়ে ওদের কথামতো সিদ্ধান্ত নেব, এমন ভাবনা আমার কোনওদিন ছিল না।’

বরং অন্য একজনের সঙ্গে কথা বলা বেশি গুরুত্বপূর্ণ বলে মনে করেছেন রচনা। তিনিও এই অভিনয় জগত থেকেই বহুদিন হল রাজনীতিতে এসেছেন। তিনি শতাব্দী রায়। ২০০৯ সাল থেকে তিনি বীরভূমের সাংসদ। জয়ের হ্যাটট্রিক করে ফেলেছেন বীরভূম থেকে। কীভাবে এতদিন ধরে শতাব্দী সাংসদ রয়েছেন, সেই বিষয়ে টিপস পেতে বরং বেশি আগ্রহী রচনা। রাজনীতির মাঠে পা রাখার পর শতাব্দীর সঙ্গে তাঁর কথাও হয়েছে বলে জানালেন হুগলিতে তৃণমূলের তারকা প্রার্থী।

Follow Us