AQI
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Sujit Bose: জলাশয় বুজিয়ে কীভাবে গোডাউন? কেন হল না ফায়ার অডিট? প্রশ্ন শুনে মেজাজ হারালেন সুজিত, সামলে নিয়ে দিলেন উত্তর

Sujit Bose On Anandapur Fire: এলাকারই এক প্রবীণ ব্যক্তি বহু বছর আগে সেই গোডাউন তৈরি করেছিলেন, সোমবারই সেকথা ক্যামেরার সামনে বলে ফেলেছিলেন স্থানীয় এক বাসিন্দা। তবে দমকল আধিকারিকরা সোমবার স্পষ্ট করেছিলেন, ওই গোডাউনে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না। মঙ্গলবার ঘটনাস্থলে দিয়ে সেই কথা স্বীকার করলেন দমকলমন্ত্রী।

Sujit Bose: জলাশয় বুজিয়ে কীভাবে গোডাউন? কেন হল না ফায়ার অডিট? প্রশ্ন শুনে  মেজাজ হারালেন সুজিত, সামলে নিয়ে দিলেন উত্তর
আনন্দপুরে দগ্ধ গোডাউনে দমকলমন্ত্রীImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Jan 27, 2026 | 12:20 PM
Share

কলকাতা: ‘জতুগৃহ’- ৩২ ঘণ্টা পর আনন্দপুরের দগ্ধ ভূমে গিয়ে বললেন দমকলমন্ত্রী সুজিত বসু। আনন্দপুরের ওই গোডাউন নিয়ে একাধিক প্রশ্ন উঠেছে। এলাকারই এক প্রবীণ ব্যক্তি গঙ্গাধর দাস, বহু বছর আগে সেই গোডাউন তৈরি করেছিলেন, সোমবারই সেকথা ক্যামেরার সামনে বলে ফেলেছিলেন স্থানীয় এক বাসিন্দা। তাঁকে প্রশ্ন করা হয়েছিল, নিয়ম মানা হয়েছে, জানতেন? ঢোক গিলেছিলেন তিনি। তবে দমকল আধিকারিকরা সোমবার স্পষ্ট করেছিলেন, ওই গোডাউনে অগ্নি নির্বাপণ ব্যবস্থা ছিল না। মঙ্গলবার ঘটনাস্থলে দিয়ে সেই কথা স্বীকার করলেন দমকলমন্ত্রী। তবে কি সেই গোডাউনের ‘ফায়ার অডিট’ হয়নি? স্বাভাবিকভাবে এই প্রশ্ন দমকলমন্ত্রীর সামনেও উঠে আসে। কী উত্তর দিলেন মন্ত্রী?

এত বড় কারখানায় হল না কেন অডিট? সাংবাদিকদের মধ্যে এক জন এ প্রশ্ন করেন! প্রশ্ন শোনামাত্রই দৃশ্যত মেজাজ হারান সুজিত। পরে কিছুটা সামলে নেন। 

দমকলমন্ত্রীর কথায়, “প্রচুর জায়গায় প্রচুর কারখানা রয়েছে। অনেকে লাইসেন্স নিয়ে করছেন, অনেকে বেআইনিভাবে করছে। এখনই বলতে পারব না, ওদের কাছে কী কাগজপত্র রয়েছে। যদি বেআইনিভাবে হয়ে থাকে, তাহলে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

জলাশয় বুজিয়ে কীভাবে তৈরি হল গোডাউন?

এটাতেও সুজিতের উত্তর, “এটা ভূমি দফতর নিশ্চয়ই দেখবে। যাঁদের দেখার দায়িত্ব, তাঁরা দেখবে।”  তিনি বলেন, “ডিজির সঙ্গে কথা বলেছি। অগ্নি নির্বাপক ব্যবস্থার মতো এখানে কিছু ছিল না। আমরা এখানে সেরকম কিছু দেখতে পাইনি। আমাদের ফায়ার অডিট হয়। এখানে ফায়ার অডিট হয়েছিল কিনা, এটা আমাদের দেখার দরকার রয়েছে। সেটা তদন্ত করব। প্রত্যেকটা কেসে তদন্ত হয়। এখানে ফরেনসিক টিম আসবে। এফআইআর হবে, তদন্তও হবে।” তবে এসবের পর তিনি এটা আশ্বস্ত করেছেন, অভিযোগ প্রমাণিত হলে  মালিকের বিরুদ্ধে সব ব্যবস্থা হবে। এফআইআর হবে। যদিও সেই মালিকের খোঁজ সোমবার থেকে এখনও পর্যন্ত মেলেনি।

উদ্ধারকাজ শুরু করতে দেরি কেন?

দমকলমন্ত্রীর উত্তর, “এখানে যে নির্মাণ ছিল, তা কেটে কেটে অনেক জায়গায় ঢুকতে হয়েছে। একটা জটিল অবস্থা ছিল। রাতে গোডাউনের ভিতরে উত্তাপও বেশি ছিল। রাতে উদ্ধারকাজ শুরু করা যায়নি।”

আপাতত এই দগ্ধ গোডাউনে চলছে উদ্ধারকাজ। পা বাড়ালে ঠেকছে পোড়া হাড়ের টুকরো, গোডাউনের ভিতরে যে তাপমাত্র ছিল, তাতে লোহার বিম গলে গিয়েছে, তাই চামড়া, সে যে ছাই, তা বলাই বাহুল্য। এখনও বাইরে অধীর অপেক্ষায় নিখোঁজ ২৫-এর পরিজনরা।