
কলকাতা: গত সেপ্টেম্বরেই অডিয়ো ক্লিপ মামলায় জামিন পেয়েছেন সিপিএম নেতা কলতান দাশগুপ্ত। সেই কলতানকেই ফের একবার একহাত নিলেন কুণাল ঘোষ। সোশ্যাল মাধ্যমে করলেন পোস্ট। তা নিয়ে ফের শোরগোল রাজনৈতিক মহলে। সিপিএমের দিকে কার্যত চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে কুণাল লিখছেন, ‘আরজিকর কাণ্ডের কুৎসাপর্বে জুনিয়র ডাক্তারদের ধর্নামঞ্চে হামলা করিয়ে তৃণমূল দল ও সরকারকে চরম বিড়ম্বনায় ফেলার চক্রান্ত হয়েছিল। এ সংক্রান্ত একটি ফোনের অডিও ক্লিপ প্রকাশ্যে আসে। আমিও বিবৃতি দিয়েছিলাম। সিপিএমের কলতানের গলা ছিল ওটি, চক্রান্তকারীর ভূমিকায়। আমি চ্যালেঞ্জ করছি, কন্ঠস্বরের নমুনা পরীক্ষায় সম্মতি দিক কলতান। যদি সৎসাহস থাকে, নাটক না করে নমুনা দিক। অবিলম্বে।’
প্রসঙ্গত, এই মামলায় ৫০০ টাকার ব্যক্তিগত বন্ডে জামিন পান কলতান। সঙ্গে তাঁকে দেওয়া হয়েছিল রক্ষাকবচও। আদালতের অনুমতি ছাড়া তাঁকে গ্রেফতার করা যাবে না বলে জানানো হয়। এদিকে কলতানের কেস নিয়ে আরজি কর আবহে বেশ খানিকটা চাপে পড়ে সিপিএম। ‘ফাঁসানো হয়েছে কলতানকে’, এই মর্মে আন্দোলনের রূপরেখাও ঠিক হয়।
প্রসঙ্গত, আরজি কর আন্দোলনের আবহে একটি বিস্ফোরক অডিয়ো ক্লিপ সামনে আনেন কুণাল। অভিযোগ, জুনিয়র ডাক্তারদের আন্দোলন মঞ্চে হামলার ছক কষা হয়েছিল। একটি ফোনালাপের অডিয়ো ক্লিপে দুই ব্যক্তির কণ্ঠ নিয়ে বাড়ে চাপানউতোর। কুণালের দাবি, চক্রান্ত করছিলেন কলতান নিজেই। যা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিস্তর চাপানউতোরও হয়েছিল। এখন সিপিএমের ‘সৎ সাহস’ নিয়ে প্রশ্ন তুলে কুণাল বলছেন, ‘যদি ওর কন্ঠস্বর না হয়, তাহলে ভয়ের কী আছে? ওই সময় যদি জুনিয়র ডাক্তারদের মঞ্চে সিপিএমের এই চক্রান্তের হামলা হত, যদি রক্তারক্তির খারাপ ঘটনা ঘটত, তাহলে মুখ্যমন্ত্রী, সরকার, দলের উপর দোষ চাপিয়ে কীভাবে কাঠগড়ায় তোলা হত।’