Khariji Madrasa: রাজ্যের ১২ জেলায় খারিজি মাদ্রাসা নিয়ে তদন্ত রিপোর্ট পেশ, কোন তথ্য সামনে এল?
Report on Khariji Madrasa: সূত্রের খবর, রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে খারিজি মাদ্রাসা চলছে ধর্মীয় শিক্ষা দিতেই। এগুলি পরিচালনা করার জন্য কোথা থেকে টাকা আসছে তা নিয়েআরও বিশদ তদন্ত করার প্রয়োজন রয়েছে বলেই মনে করছেন কমিটির সদস্যরা।

কলকাতা: চাপানউতোর, জল্পনা চলছিলই। এবার রাজ্যের ১২ জেলায় খারিজি মাদ্রাসা নিয়ে তদন্তের রিপোর্ট পেশ। সীমান্তবর্তী জেলাগুলি-সহ ১২ জেলার জন্য পরিদর্শক দলগুলির তরফের রিপোর্ট জমা দেওয়া হল সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরে। সূত্রের খবর, খুব শীঘ্রই মাদ্রাসা শিক্ষা দফতরের তরফে চূড়ান্ত রিপোর্ট জমা দেওয়া হবে মুখ্যমন্ত্রীর দফতরের।
বহু বছর ধরেই চলছে এই ধরনের মাদ্রাসা। তালিকায় রয়েছে কোচবিহার, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, উত্তর দিনাজপুর, মালদহ, মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম মেদিনীপুর, পূর্ব মেদিনীপুর, নদিয়া, হুগলি, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা। এই ১২ জেলায় অনুমোদনহীন মাদ্রাসাগুলিতে সরকারের তৈরি করা সিলেবাস, প্রকল্প অনুসরণ করা হয় কিনা তা নিয়ে জেলাভিত্তিক পরিদর্শনকারী কমিটি গঠন করে সংখ্যালঘু উন্নয়ন ও মাদ্রাসা শিক্ষা দফতর। সেই কমিটিই এবার রিপোর্ট সামনে আনলো।
সূত্রের খবর, রিপোর্টে উল্লেখ করা হয়েছে খারিজি মাদ্রাসা চলছে ধর্মীয় শিক্ষা দিতেই। এগুলি পরিচালনা করার জন্য কোথা থেকে টাকা আসছে তা নিয়েআরও বিশদ তদন্ত করার প্রয়োজন রয়েছে বলেই মনে করছেন কমিটির সদস্যরা। সীমান্তবর্তী জেলাগুলিতেই সবথেকে বেশি খারিজি মাদ্রাসার সন্ধান পাওয়া গিয়েছে বলে খবর।
যাদের অনুমোদন নেই তাদের বাতিল করা প্রয়োজন বলে মনে করছেন কমিটির সদস্যরা। তবে স্থানীয় মানুষের পাশাপাশি এই ধরনের মাদ্রাসা পরিচালনার জন্য বিভিন্ন সংস্থার তরফেও অর্থ দেওয়া হয় বলে খোঁজ মিলেছে। সেই সংস্থাগুলির সম্পর্কেও বিশদে খোঁজ নেওয়ার প্রয়োজন রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে।
