Chingrighata Metro work: চিংড়িঘাটায় কোন পথে এগোল মেট্রোর কাজ নিয়ে দ্বন্দ্ব? জানুন সবটা
Complication of metro work at Chingrighata: এদিন রাজ্য সরকারকে ভর্ৎসনা করল শীর্ষ আদালত। এই নিয়ে এদিন বিজেপির বিদায়ী বিধায়ক তথা শিলিগুড়ির প্রার্থী শঙ্কর ঘোষ বলেন, "এক লাইনে বললে, উন্নয়ন বিরোধী সরকার, রাজ্যের মমতার সরকার।" পাল্টা তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, "এখন তো আইনশৃঙ্খলা নির্বাচন কমিশনের আওতাভুক্ত। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের দিয়ে অনুমতি দিয়ে দিক না।"

কলকাতা: মাত্র ৩৬৬ মিটার লাইনের কাজ বাকি। সেই কাজ না হওয়ায় সম্পূর্ণ হচ্ছে না কলকাতা মেট্রোর অরেঞ্জ লাইন। চিংড়িঘাটায় মেট্রোর এই কাজ নিয়েই কেন্দ্র ও রাজ্যের মধ্যে চাপানউতোর জারি। কাজ থমকে থাকার জন্য রাজ্যকে নিশানা করেছেন স্বয়ং রেলমন্ত্রী অশ্বিনী কুমার। সোমবার সুপ্রিম কোর্টও রাজ্যকে ভর্ৎসনা করেছে। এই আবহে দেখে নেওয়া যাক, চিংড়িঘাটায় মেট্রোর কাজ নিয়ে জটিলতা কোন পথে এগিয়েছে।
চিংড়িঘাটায় মেট্রোর কাজের জন্য রাস্তা বন্ধ রাখলে সাধারণ মানুষ অসুবিধায় পড়বেন। এই যুক্তিতে আটকে যায় চিংড়িঘাটায় মেট্রোর কাজ। আর মেট্রোর কাজ নিয়ে জটিলতা গড়ায় আদালত পর্যন্ত। গত বছরের ৪ সেপ্টেম্বর কলকাতা হাইকোর্ট নির্দেশ দেয়, রেল এবং রাজ্য প্রশাসন-সহ সব পক্ষকে একসঙ্গে বৈঠক করতে হবে। হাইকোর্টের সেই নির্দেশ মেনে গত বছরের ৯ সেপ্টেম্বর সব পক্ষ একসঙ্গে বৈঠকে বসে মেট্রো ভবনে।
এরপর ১৮ সেপ্টেম্বর আদালতে দাবি করা হয়, সব পক্ষ সহমত হয়েছে। রাজ্যের তরফে জানানো হয়, কাজের অনুমতি মিলবে। কিন্তু, রাজ্য বৈঠকে আশ্বাস দিলেও কাজের অনুমতি দেয়নি বলে অভিযোগ তুলে গত বছরের ২১ নভেম্বর ফের কলকাতা হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয় মেট্রো রেল কর্তৃপক্ষ তথা রেল কর্তৃপক্ষ। মেট্রো রেলের অভিযোগের প্রেক্ষিতে গত বছরের ২৩ ডিসেম্বর রাজ্য প্রশাসনকে তিরস্কার করে হাইকোর্ট। ২০২৬ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারির মধ্যে কাজ শেষ করার নির্দেশ দেয় হাইকোর্ট।
সেই নির্দেশের বিরুদ্ধে চলতি বছরের ৯ ফেব্রুয়ারি সুপ্রিম কোর্টের দ্বারস্থ হয় রাজ্য সরকার। আর এদিন রাজ্য সরকারকে ভর্ৎসনা করল শীর্ষ আদালত। এই নিয়ে এদিন বিজেপির বিদায়ী বিধায়ক তথা শিলিগুড়ির প্রার্থী শঙ্কর ঘোষ বলেন, “এক লাইনে বললে, উন্নয়ন বিরোধী সরকার, রাজ্যের মমতার সরকার।” পাল্টা তৃণমূল মুখপাত্র অরূপ চক্রবর্তী বলেন, “এখন তো আইনশৃঙ্খলা নির্বাচন কমিশনের আওতাভুক্ত। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের দিয়ে অনুমতি দিয়ে দিক না।”
