দুর্ভেদ্য ঘাঁটি! পাঁচ তারা হোটেলের পর জাতীয় গ্রন্থাগারে রণনীতির পাঠ দিতে পারেন শাহ
কথায় বলে না বাতাসেরও কান আছে। তাই ঘাঁটিকে আরও বেশি দুর্ভেদ্য করে তুলতে এবার ন্যাশনাল লাইব্রেরিকেই বেছে নিল বিজেপি নেতৃত্ব।
কলকাতা: আগের বারের রুদ্ধদ্বার বৈঠক হয়েছিল শহরের পাঁচ তারা হোটেলে। প্রথমে ঠিক ছিলনিউটাউনের পাঁচতারা ওয়েস্টিন হোটেল। পরে স্থান পরিবর্তন হয়। সপ্তাহ খানেক আগে ১৩ ফেব্রুয়ারি জে ডব্লু ম্যারিয়টের রুমে দলীয় কর্মীদের সঙ্গে অমিত শাহ (Amit Shah) নির্ধারণ করেছেন রণনীতি। এবার শাহি বৈঠক হতে পারে ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে (National Library)। লড়াইয়ের রূপরেখা যাতে কাকপক্ষীও টের না পায়, তার জন্য অতি তৎপর বিজেপি নেতৃত্ব।
মুরলীধর সেন লেনে বিজেপির রাজ্য দফতর তো রয়েছেই। পাশাপাশি হেস্টিংসে খোলা হয়েছে নির্বাচনী কার্যালয়ও। নেতৃত্বের বসার জায়গার পাশাপাশি সেখানে কনফারেন্স রুম, আইটি রুম, সোশ্যাল মিডিয়া টিমের বসার জায়গাও রাখা হয়েছে। প্রতিদিন ২৫০ জনের খাওয়ারও ব্যবস্থা করা হয়েছে। কিন্তু কথায় বলে না বাতাসেরও কান আছে। তাই ঘাঁটিকে আরও বেশি দুর্ভেদ্য করে তুলতে এবার ন্যাশনাল লাইব্রেরিকেই বেছে নিল বিজেপি নেতৃত্ব।
১৯ ফেব্রুয়ারি, আগামী শুক্রবার বিজেপির রাজ্য কমিটির সদস্যদের সাথে বৈঠক করতে পারেন অমিত শাহ। প্রথমে কাকদ্বীপ সভা করবেন শাহ, ফিরে ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে বৈঠক করবেন। ইতিমধ্যেই রাজ্য কমিটির প্রত্যেক সদস্যকে করোনা পরীক্ষা করতে বলা হয়েছে দলের তরফে।
আরও পড়ুন: এক দিনের ব্যবধানেই হুগলিতে মোদীর পাল্টা সভা মমতার
রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, একুশের নির্বাচনটাকে একপ্রকার চ্যালেঞ্জ হিসাবে নিয়েছে বিজেপি। ২০০র বেশি আসন নিয়ে ক্ষমতায় আসার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছেন শাহ। তা সফল করতে বঙ্গ বিজেপি নেতৃত্বের মধ্যে চূড়ান্ত তৎপরতা লক্ষ্য করছেন রাজনীতির কুশীলবরা। মোদী-শাহ বাংলায় আসছেন ঘন ঘন। কেবলমাত্র রাজনৈতিক জনসভাই নয়, লড়াইয়ের স্ট্র্যাটেজি নির্ধারণই যে তাঁদের আরও একটি গুরুত্বপূর্ণ উদ্দেশ্য, তা বেশ ঠাওর করতে পারছেন রাজনীতির কুশীলবরা।