
কলকাতা: সারদা মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছিল। সে সময়ে দলের প্রতি একাধিকবার ক্ষোভ উগরে দিয়েছিলেন তিনি। জেল ছেতে মুক্তি পাওয়ার পর আবারও দলের প্রতি শ্রদ্ধাশীল তিনি, একনিষ্ঠ কর্মী। দলের মুখপাত্র হওয়া, তারপর দলের সাধারণ সম্পাদক, এবার সরাসরি ভোটের ময়দানে। কুণাল ঘোষকে বেলেঘাটার প্রার্থী করেছে তৃণমূল। এবার TV9 বাংলার এক্সক্লুসিভ সাক্ষাৎকারে এলেন তিনি। বললেন তাঁর এই গোটা উত্তরণের পর্বে কতটা ভূমিকা রয়েছে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের।
কুণাল ঘোষকে রাজনৈতিক মহলে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ এবং বিশ্বস্ত হিসেবে গণ্য করা হয়। দলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদকের একাধিক প্রশাসনিক ও সাংগঠনিক সিদ্ধান্তে কুণাল ঘোষের জোরালো সমর্থন লক্ষ্য করা গেছে। বিশেষ করে দলের মধ্যে “নবীন বনাম প্রবীণ” দ্বন্দ্বে কুণাল ঘোষকে অনেক সময়ই অভিষেকের ‘সেনাপতি’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করতে দেখা গিয়েছে। এবার কুণাল নিজেই স্বীকার করলেন তাঁর জীবনে ঠিক কতটা ভূমিকা রয়েছে অভিষেকের।
জেলমুক্তির দল আত্মবিশ্বাস হারিয়ে ফেলেছিলেন কুণাল। সে সময়ে অভিষেক যে ব্যক্তিগতভাবে তাঁকে কতটা সাহায্য করেছিলেন, তা জানান। কুণাল বলেন, “দলগতভাবে, ব্যক্তিগতভাবে অনেক সাহায্য করেছে। আমি আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠতে সাহায্য করেছে।” কুণালের কথায়, “অভিষেক বয়সে আমার থেকে অনেক ছোট, কিন্তু অনেক বড় মাপের নেতা। এত ভাল নিজেকে গ্রুম করেছে। আমি ফিরে আসার পর আরও কাছ থেকে দেখেছি।”
জেল থেকে বেরিয়ে আসার ক্ষেত্রে ও তার পরবর্তী প্রেক্ষাপটেও অভিষেক তাঁকে সাহায্য করেছেন বলে জানান কুণাল। তিনি বলেন, “অভিষেকের সাহায্যেই ধীরে ধীরে আত্মবিশ্বাসী হয়ে উঠলাম। ২০২০ সালে আমাকে মুখপাত্র করল দল, এখনও আছি, ‘২১ সালের পর সাধারণ সম্পাদক, এখনও রয়েছি। এবার প্রার্থী করার সম্মান দেওয়া হল।” তবে কি দল এটাকে তাঁর আনুগত্যের স্বীকৃতি দিচ্ছে? কুণালের কথায়, তিনি বরাবরই দলের অনুগত সৈনিক ছিলেন। এখনও রয়েছেন।