Kunal Ghosh Explosive: ‘তাঁরা আজও স্বজনপোষণ করছে’, সজল-তাপসকে প্রতি সৌজন্য, বিধায়ক হিসাবে শপথ নিয়েই হঠাৎ কেন উল্টো সুর কুণালের?
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কুণাল ঘোষের নিশানায় উত্তর কলকাতার সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে। তাপস রায়ের দল ছাড়ার সময় থেকেই কুণাল ঘোষ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে সরব ছিলেন। লোকসভা নির্বাচনের সময় থেকেই এই দুই নেতার দ্বন্দ্ব বারবার প্রকাশ্যে এসেছে।

কলকাতা: বিধায়ক হিসাবে শপথ গ্রহণের পরই বিস্ফোরক কুণাল ঘোষ। নিজের সামাজিক মাধ্যমে তিনি লিখলেন, সজল ঘোষ, তাপস রায়দের দল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল। সামাজিক মাধ্যমে দলের নেতাদের বিরুদ্ধেই দাগলেন তোপ। তিনি লিখেছেন, “সজল ঘোষ, তাপস রায়দের দল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল। যাঁদের জন্য দল ছেড়েছিল, তাঁরা আজও স্বজনপোষণ করছে।” রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, নাম না করে সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়কে তোপ দেগেছেন কুণাল।

বিধায়ক হিসেবে শপথ নেওয়ার পরেই কুণাল ঘোষের এই মন্তব্য তৃণমূল কংগ্রেসের অন্দরমহলে নতুন করে বিতর্কের ঝড় তুলেছে। কুণাল ঘোষ সরাসরি অভিযোগ করেছেন যে, সজল ঘোষ বা তাপস রায়ের মতো নেতাদের ইচ্ছাকৃতভাবে দল ছাড়তে বাধ্য করা হয়েছিল।
রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, কুণাল ঘোষের নিশানায় উত্তর কলকাতার সাংসদ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের দিকে। তাপস রায়ের দল ছাড়ার সময় থেকেই কুণাল ঘোষ সুদীপ বন্দ্যোপাধ্যায়ের ভূমিকা নিয়ে সরব ছিলেন। লোকসভা নির্বাচনের সময় থেকেই এই দুই নেতার দ্বন্দ্ব বারবার প্রকাশ্যে এসেছে। কুণাল সম্ভবত বোঝাতে চেয়েছেন যে, উত্তর কলকাতায় দলের পুরনো ও দক্ষ কর্মীদের কোণঠাসা করার একটি ধারাবাহিক প্রক্রিয়া চলছে।
ই ঘটনা তৃণমূলের অন্দরে ‘পুরানো বনাম নতুন’ বা ‘গোষ্ঠীদ্বন্দ্বে’র বিষয়টি আবারও সামনে নিয়ে এল বলেই মত রাজনৈতিক মহলের।
যদিও বিজেপি বিধায়ক কুণাল ঘোষ বলেন, “কুণাল যে এই ছুঁয়ে দেয় না মাঝে মাঝে বড় জ্বালা করে। বুঝতে অসুবিধা হয়, কাউকে খুশি করতে চাইছেন নাকি আত্মশুদ্ধি করতে চাইছেন! কখন কী চান, ভগবানও জানে না। আমাদের কপাল ভাল, বিধানসভায় ঢুকছি চোর শুনতে হচ্ছে না। আজ যদি ওনার কথা শুনতাম, চোর চোর শুনতে হত। আমিও মানিনি, তাপসকাকুও মানেনি, বড় সৌভাগ্যের।”
বিধায়ক তাপস রায় আবার বলেন, “একদিকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের লবির লোক, আর অন্যদিকে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের লবির লোক! একেবারে ধান্দাবাজ, অরাজনৈতিক লোকেদের যা হওয়ার উচিত, ওই দলটার তাই হয়েছে।”
