Suruchi Sangha: বন্ধ হয়ে যাবে সুরুচি সঙ্ঘের পুজো? জমি খালি করার নোটিস দিল LIC
LIC Notice to Suruchi Sangha: জানা গিয়েছে, স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেফতার হতেই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিল এলআইসি। সেই অভিযোগের পরই এলআইসির আইনজীবীর তরফে নোটিস পাঠানো হয়েছে। বলা ভালো, সুরুচির তিন দিকে নোটিস সাঁটিয়ে দেওয়া হয়েছে। নোটিসে চারটি প্লট খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

কলকাতা: কলকাতার বিখ্যাত পুজোগুলির মধ্যে অন্যতম প্রাক্তন মন্ত্রী অরূপ বিশ্বাসের (Aroop Biswas) সুরুচি সঙ্ঘের পুজো (Suruchi Sangha Puja)। শুধু অরূপ নয়, ভাই স্বরূপ বিশ্বাসও এই পুজোর সঙ্গে জড়িয়ে। কিন্তু, প্রশ্ন উঠছে এবার কি আদৌ পুজো হবে? ইতিমধ্যেই জেলে গিয়েছেন স্বরূপ বিশ্বাস। এদিকে, বারবার থানার চক্কর কাটতে হচ্ছে অরূপকে। মেসিকাণ্ডে খাঁড়া ঝুলছে তাঁর ঘাড়ে। সঙ্গে জুড়েছে আরও একটা নতুন ইস্যু। অরূপ-স্বরূপের সুরুচি সঙ্ঘে গেল এলআইসির নোটিস (LIC Notice to Suruchi Sangha)। অভিযোগ, এলআইসির জমি দখল করে প্রত্যেক বছর পুজো হত। অর্থাৎ দুর্গাপুজোতেও বেআইনি?
কী বলা হয়েছে নোটিসে?
জানা গিয়েছে, স্বরূপ বিশ্বাস গ্রেফতার হতেই থানায় অভিযোগ দায়ের করেছিল এলআইসি। সেই অভিযোগের পরই এলআইসির আইনজীবীর তরফে নোটিস পাঠানো হয়েছে। বলা ভালো, সুরুচির তিন দিকে নোটিস সাঁটিয়ে দেওয়া হয়েছে। নোটিসে চারটি প্লট খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। ওই চারটি প্লট অর্থাৎ প্রায় ২২ কাঠা জমি। ওই জমিতে বেআইনি নির্মাণ করা হয়েছে বলে নোটিসে উল্লেখ করা হয়েছে। আগামী ১৮ জুলাইয়ের মধ্যে প্লট খালি করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। প্লট খালি না করা হলে প্রয়োজনীয় আইনি পদক্ষেপ করা হবে বলেও বলা হয়েছে নোটিসে।
এদিকে, সুরুচি সঙ্ঘে নোটিস পড়ার সঙ্গে সঙ্গে তা ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। সুরুচি সঙ্ঘের তিন দিকে নোটিশ দেওয়া দেওয়া হলেও দুই জায়গায় নোটিস ছিঁড়ে দেওয়া হয়েছে। কে বা কারা নোটিস ছিঁড়েছে, তা জানা যায়নি। এদিকে, এলআইসির জমি দখল করে সুরুচির পুজো নিয়ে বিগত সরকারকে কড়া ভাষায় আক্রমণ করেছেন বিজেপি বিধায়ক রুদ্রনীল ঘোষ।
রুদ্রনীল ঘোষ বলেন, “দখলদারির রাজনীতি তো পশ্চিমবঙ্গের তৃণমূল শক্তি বৃদ্ধির চেষ্টা করেছিল দাঁত-নখ বের করে। সব কিছুই দখল করতে চায়। রাষ্ট্রের জমি দখল করতে চায়। মানুষের অধিকার দখল করতে চায়। গণতন্ত্র দখল করতে চায়। এরা সংবিধানের মর্যাদা হরণ করতে চায়। এরা আইন-কানুন তৈরি করে সব কিছুই নিজেদের দখলে করতে চায়। অর্থ ও ক্ষমতা ভোগ করতে চায়। এই পরিচয়টা দিয়েছিল বলেই পশ্চিমবঙ্গের মানুষ তাঁদের ছুঁড়ে ফেলে দিয়েছেন। শাসকের আইন চলত। লুঠের নীতি ছিল। এই অরূপ বিশ্বাস-স্বরূপ বিশ্বাস সংস্কৃতি বা ক্রীড়া সব কিছু তছনছ করে দিয়েছে। ধর্মের কল বাতাসে নড়ে।… আরও খোঁজ করলে হয়তো কেঁচো খুঁড়তে পাইথন বেরবে।”
