TMC: রাজ্যের হেভিওয়েট সাত মন্ত্রীর এলাকাতেই তৃণমূলের হার! তালিকায় কাদের নাম দেখে নিন

সৌরভ গুহ | Edited By: সায়নী জোয়ারদার

Jun 10, 2024 | 2:57 PM

TMC Minister: অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হল, এই সাত মন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্রে কোথাও বিজেপি এগিয়ে, কোথাও জাতীয় কংগ্রেস এগিয়ে। এবারের ভোটে নিজের কেন্দ্র শ্যামপুকুরেই হেরেছেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। রাজ্য তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ মুখ তিনি। মুখপাত্রও দলের। অথচ শশী পাঁজার শ্যামপুকুরে খেলা ঘুরিয়েছে বিজেপি। শশী পাঁজা তাঁর বিধানসভায় হেরেছেন ১৬০০র কিছু বেশি ভোটে।

Follow Us

কলকাতা: এর আগে কলকাতা পুর এলাকায় একাধিক ওয়ার্ডে দেখা গিয়েছিল শাসকদল পিছিয়ে। এবার সামনে আসছে মন্ত্রীদের নামের তালিকাও। লোকসভা নির্বাচনে নিজের বিধানসভা এলাকায় হেরেছেন, এমন মন্ত্রীর সংখ্যা ৭ জনের মতো। ২০২৬ সালে বিধানসভার ভোট। শাসক-বিরোধী সব শিবিরই সেই ভোটের প্রস্তুতি কার্যত শুরু করে দিয়েছে। তারইমধ্যে এই তথ্য সামনে এসেছে।

অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হল, এই সাত মন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্রে কোথাও বিজেপি এগিয়ে, কোথাও জাতীয় কংগ্রেস এগিয়ে। এবারের ভোটে নিজের কেন্দ্র শ্যামপুকুরেই হেরেছেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। রাজ্য তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ মুখ তিনি। মুখপাত্রও দলের। অথচ শশী পাঁজার শ্যামপুকুরে খেলা ঘুরিয়েছে বিজেপি। শশী পাঁজা তাঁর বিধানসভায় হেরেছেন ১৬০০র কিছু বেশি ভোটে। উত্তর কলকাতায় বাঙালি অধ্যুষিত এই বিধানসভায় বিজেপির জয় নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। গত সপ্তাহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবনির্বাচিত সাংসদদের নিয়ে যে বৈঠক করেন, সূত্রের খবর সেখানে দলনেত্রী বলেন, উত্তর কলকাতায় তিনি না নামলে সিট বের করা যেত না।

নিজের কেন্দ্রে হেরেছেন রাজ্যের আরেক মন্ত্রী সুজিত বসুও। সুজিতের ওয়ার্ডে হিন্দিভাষীর সংখ্যা বেশি। এটাই কি সুজিত বসুর বিধানসভায় বিজেপির এগিয়ে থাকার কারণ? উত্তর ২৪ পরগনার গুরুত্বপূর্ণ নেতা সুজিত বসুর নিজের বিধানসভায় হেরে যাওয়াও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

নিজের কেন্দ্রে হেরেছেন মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস, হেরেছেন সত্যজিৎ বর্মন, তাজমুল হোসেনও। খুব গুরুত্বপূর্ণ অখিল গিরির কেন্দ্রে হারও। রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রে ৯ হাজার ভোটে হারতে হয়েছে। অথচ তাঁকে সামনে রেখেই পূর্ব মেদিনীপুরের অধিকারী গড়ে লড়াই করেছে শাসকদল।

পরাজিত এ জেলারই আরেক মন্ত্রী বিপ্লব রায়চৌধুরী। ২ হাজার ৭২১ ভোটে বিজেপি জিতেছে বিপ্লববাবুর পাশকুঁড়া পূর্ব বিধানসভা থেকে। আরেক মন্ত্রী মালদহের সাবিনা ইয়াসমিন। তাঁর বিধানসভায় সাবিনা হেরেছেন কংগ্রেসের কাছে। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত মালদহে কংগ্রেসের কাছে তৃণমূলের এই হার ভাবাচ্ছে। প্রসঙ্গত, কালীঘাটের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোন বিধানসভায় কী খামতি হয়েছিল তা নিয়ে চুল চেরা বিশ্লেষণ করেন। অনেকে জেনেশুনে দলীয় প্রার্থীকে পিছিয়ে দিয়েছেন, এমনও অভিযোগও রয়েছে দলের অন্দরে।

কলকাতা: এর আগে কলকাতা পুর এলাকায় একাধিক ওয়ার্ডে দেখা গিয়েছিল শাসকদল পিছিয়ে। এবার সামনে আসছে মন্ত্রীদের নামের তালিকাও। লোকসভা নির্বাচনে নিজের বিধানসভা এলাকায় হেরেছেন, এমন মন্ত্রীর সংখ্যা ৭ জনের মতো। ২০২৬ সালে বিধানসভার ভোট। শাসক-বিরোধী সব শিবিরই সেই ভোটের প্রস্তুতি কার্যত শুরু করে দিয়েছে। তারইমধ্যে এই তথ্য সামনে এসেছে।

অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ হল, এই সাত মন্ত্রীর বিধানসভা কেন্দ্রে কোথাও বিজেপি এগিয়ে, কোথাও জাতীয় কংগ্রেস এগিয়ে। এবারের ভোটে নিজের কেন্দ্র শ্যামপুকুরেই হেরেছেন রাজ্যের মন্ত্রী শশী পাঁজা। রাজ্য তৃণমূলের গুরুত্বপূর্ণ মুখ তিনি। মুখপাত্রও দলের। অথচ শশী পাঁজার শ্যামপুকুরে খেলা ঘুরিয়েছে বিজেপি। শশী পাঁজা তাঁর বিধানসভায় হেরেছেন ১৬০০র কিছু বেশি ভোটে। উত্তর কলকাতায় বাঙালি অধ্যুষিত এই বিধানসভায় বিজেপির জয় নিঃসন্দেহে তাৎপর্যপূর্ণ। গত সপ্তাহে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নবনির্বাচিত সাংসদদের নিয়ে যে বৈঠক করেন, সূত্রের খবর সেখানে দলনেত্রী বলেন, উত্তর কলকাতায় তিনি না নামলে সিট বের করা যেত না।

নিজের কেন্দ্রে হেরেছেন রাজ্যের আরেক মন্ত্রী সুজিত বসুও। সুজিতের ওয়ার্ডে হিন্দিভাষীর সংখ্যা বেশি। এটাই কি সুজিত বসুর বিধানসভায় বিজেপির এগিয়ে থাকার কারণ? উত্তর ২৪ পরগনার গুরুত্বপূর্ণ নেতা সুজিত বসুর নিজের বিধানসভায় হেরে যাওয়াও যথেষ্ট তাৎপর্যপূর্ণ।

নিজের কেন্দ্রে হেরেছেন মন্ত্রী উজ্জ্বল বিশ্বাস, হেরেছেন সত্যজিৎ বর্মন, তাজমুল হোসেনও। খুব গুরুত্বপূর্ণ অখিল গিরির কেন্দ্রে হারও। রামনগর বিধানসভা কেন্দ্রে ৯ হাজার ভোটে হারতে হয়েছে। অথচ তাঁকে সামনে রেখেই পূর্ব মেদিনীপুরের অধিকারী গড়ে লড়াই করেছে শাসকদল।

পরাজিত এ জেলারই আরেক মন্ত্রী বিপ্লব রায়চৌধুরী। ২ হাজার ৭২১ ভোটে বিজেপি জিতেছে বিপ্লববাবুর পাশকুঁড়া পূর্ব বিধানসভা থেকে। আরেক মন্ত্রী মালদহের সাবিনা ইয়াসমিন। তাঁর বিধানসভায় সাবিনা হেরেছেন কংগ্রেসের কাছে। সংখ্যালঘু অধ্যুষিত মালদহে কংগ্রেসের কাছে তৃণমূলের এই হার ভাবাচ্ছে। প্রসঙ্গত, কালীঘাটের বৈঠকে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কোন বিধানসভায় কী খামতি হয়েছিল তা নিয়ে চুল চেরা বিশ্লেষণ করেন। অনেকে জেনেশুনে দলীয় প্রার্থীকে পিছিয়ে দিয়েছেন, এমনও অভিযোগও রয়েছে দলের অন্দরে।

Next Article