Mamata Banerjee: তিনিও ফেসবুকটা নিয়মিত দেখেন, মনে করিয়ে দিয়ে মমতা বোঝালেন ‘দাদার রাজনীতি করা যাবে না’
Mamata Banerjee: বিধানসভা নির্বাচনের আর মেরেকেটে এক বছর বাকি। তার মধ্যে যদি সংগঠনই নড়বড়ে হতে শুরু করে, তাহলে তা ঘাসফুলের বিপদ ডেকে আনতে পারে। তাই বড় বার্তা দিলেন তৃণমূল সুপ্রিমো।

কলকাতা: ‘অনুগামী’ শব্দটা তৃণমূলে ইদানিং বেশ পরিচিতি পেয়েছে। নীচুতলার অনেক কর্মীর মুখেই শোনা যায়, তাঁরা কোন দাদা বা কোন দিদির অনুগামী। অর্থাৎ স্থানীয় স্তরের নেতা-নেত্রীদের মাথায় রেখেই রাজনীতি করছেন দলের একাংশ। মাথাচাড়া দিচ্ছে গোষ্ঠীদ্বন্দ্ব! রাজ্যের একাধিক জেলায় এমন অভিযোগ সামনে এসেছে। এবার খোদ তৃণমূল সুপ্রিমো বুঝিয়ে দিলেন, এসব তাঁর চোখ এড়াচ্ছে না।
বিধানসভা নির্বাচনের আর মেরেকেটে এক বছর বাকি। তার মধ্যে যদি সংগঠনই নড়বড়ে হতে শুরু করে, তাহলে তা ঘাসফুলের বিপদ ডেকে আনতে পারে। সে কথা অনুমান করে কর্মীদের মনে লোগো তথা দলীয় প্রতীকের গুরুত্বটা একেবারে গেঁথে দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
মমতা বলেন, “কেউ বলছে সিম্বল চিনি না। আবার নেতার নাম বলছে। কেউ বলছে আমি তৃণমূল চিনি না। ওই দাদার রাজনীতি করি।” এগুলো যে তাঁর চোখ এড়াচ্ছে না, সে কথা বলতে গিয়ে মমতা মনে করিয়ে দেন, তিনি রোজ ফেসবুক ও টুইটার দেখেন। কে কী করছে সবটাই নজরে থাকে তাঁর। কর্মীদের দ্ব্যর্থহীন ভাষায় তিনি বুঝিয়ে দেন, প্রতীক না থাকলে কেউ এমএলএ হতে পারতেন না, প্রতীক না থাকলে কেউ কাউন্সিলরও হতে পারতেন না। ওটাই আসল। মমতা বলেন, “আপনার নেতা জোড়াফুল আর মা-মাটি-মানুষ। অন্য কেউ আপনার নেতা নয়।” ভোটের আগে এই বার্তা খুব তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
