Mamata Banerjee: ‘আমাদের শেষ করার পর আপনাদের শেষ করে দেবে’, বামেদের বড় বার্তা দিলেন মমতা
Mamata Banerjee Opposition Unity: রাজ্যে পালাবদলের পর কালীঘাটের বাড়িতে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন করতে গিয়ে বামেদের বার্তা দিয়ে মমতা বলেছিলেন, "আমি সমস্ত রাজনৈতিক দল, ছাত্র-যুব সংগঠন, এনজিও-কে বলব জোট বাঁধুন। আমরা বিজেপির বিরুদ্ধে একটা মঞ্চ গড়তে চাই। বাম, অতিবাম, যে কোনও জাতীয় দল, যে যেখানে আছেন, আসুন আমরা জোট বাঁধি।"

কলকাতা: রাজ্যে পালাবদলের পর তাসের ঘরের মতো ভেঙে পড়ছে ঘাসফুল শিবির। বিধানসভায় দুই ভাগ হয়েছে। সাংসদরা শিবির বদলাচ্ছেন। এই আবহে মঙ্গলবার তৃণমূলের শহিদ দিবস পালনের মঞ্চ থেকে ফের বামেদের বড় বার্তা দিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বিজেপির বিরুদ্ধে একজোট হয়ে লড়াইয়ের বার্তা দিয়ে মমতা বলেন, “আমাদের শেষ করার পর ওরা আপনাদের শেষ করে দেবে।”
এদিন শহিদ দিবসে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বামপন্থী শিল্পী চন্দন সেনের কথা টেনে আনেন মমতা। তিনি বলেন, “আমি একজনকে শ্রদ্ধা জানাচ্ছি। তিনি আমাদের দলের না হলেও। তিনি একজন বিখ্যাত শিল্পী। নাম চন্দন সেন। আমি তাঁর একটা ভিডিয়ো দেখছিলাম। এরা অ্যাকাডেমি অব ফাইন আর্টসও নাকি দখল করতে গিয়েছিল। তা নিয়ে উনি বলেছেন, ‘এরকম তো আমরা জীবনে দেখিনি।’ তিনি বলেছেন, ‘এই একটা সময় সবাইকে উঠে দাঁড়াতে হবে। একজোট হয়ে লড়াই করতে হবে।’ আমি এটাকে সমর্থন করি।”
এরপরই বামেদের বার্তা দিয়ে মমতা বলেন, “আমি আগেই বলেছিলাম। বাবুল-দোলারা জানে, রবীন্দ্রজয়ন্তীর দিন বলেছিলাম, যে আসুন আমরা সারা ভারতবর্ষে ইন্ডিয়া জোট নিয়ে লড়াই করি। বাংলাতেও করি। আমার কারও প্রতি কোনও ইগো নেই। কারও প্রতি কোনও অসন্তোষ-ক্ষোভ নেই। তা না হলে মনে রাখবেন, আজকে যাঁরা বিজেপির কথায় দলীয় অফিস খুলতে পারছেন, মিটিং মিছিল করছেন। আমাদের শেষ করার পর ওরা আপনাদের শেষ করে দেবে। আমি চাই না, গণতন্ত্র শেষ হোক। গণতন্ত্র লুণ্ঠিত হোক। এখনও যদি বিবেকের জাগ্রত চেতনা থাকে, তাহলে মনে রাখবেন, সবাইকে এক হয়ে লড়া দরকার।”
প্রসঙ্গত, রাজ্যে পালাবদলের পর কালীঘাটের বাড়িতে রবীন্দ্রজয়ন্তী পালন করতে গিয়ে বামেদের বার্তা দিয়ে মমতা বলেছিলেন, “আমি সমস্ত রাজনৈতিক দল, ছাত্র-যুব সংগঠন, এনজিও-কে বলব জোট বাঁধুন। আমরা বিজেপির বিরুদ্ধে একটা মঞ্চ গড়তে চাই। বাম, অতিবাম, যে কোনও জাতীয় দল, যে যেখানে আছেন, আসুন আমরা জোট বাঁধি।”
মমতার ওই মন্তব্যের পর সেইসময় সোশ্যাল মিডিয়ায় সিপিএমের রাজ্য সম্পাদক মহম্মদ সেলিম লিখেছিলেন, ‘না, একদম না। অপরাধী, তোলাবাজ, দুর্নীতিগ্রস্ত ও সাম্প্রদায়িক পরিচয় আছে, এমন কাউকে কোনও মূল্যেই ঢুকতে দেওয়া হবে না। তবে সাধারণ মানুষ ও প্রান্তিক জনগণকে অবশ্যই রক্ষা করতে হবে।’
