IPAC-এর অফিসে ঢোকা-বেরনোর সময় মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ির নম্বর বদলে গেল কীভাবে? উঠল প্রশ্ন
শমীকের কথায়, "কয়লা কেলেঙ্কারির মতো দুর্নীতিতে শিলমোহর লাগিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যোগসূত্র পাওয়ার জন্য তদন্ত চলছে। পশ্চিমবঙ্গে যতগুলি তদন্ত চলছে, সেগুলি সব চলছে হাইকোর্টের নির্দেশে। অতীতেও দেখা গিয়েছে, গতি শ্লথ হয়ে যাওয়ার জন্য ভর্ৎসনার সম্মুখীন হতে হয়েছে।"

কলকাতা: মমতা বন্দ্য়োপাধ্যায় যেভাবে হন্তদন্ত হয়ে আইপ্যাকের অফিসে পৌঁছে গিয়েছিলেন, যেভাবে প্রতীক জৈনের বাড়ি থেকে সবুজ ফাইল হাতে বেরিয়ে আসেন মমতা, তা নিয়ে রাজনৈতিক চাপান-উতোর বেড়েই চলেছে। একদিকে, আদালতে ইডি-তৃণমূল মুখোমুখি হওয়া সময়ের অপেক্ষা। তার মধ্যেই একের পর এক প্রশ্ন তুলছে বিজেপি তথা বিরোধীরা। কেন সেদিন এত তৎপর হলেন মুখ্যমন্ত্রী? কেন তদন্তে বাধা দেওয়া হল? এই প্রশ্ন তো উঠছেই। সেই সঙ্গে এবার প্রশ্ন উঠল মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি নিয়েও।
রবিবার সাংবাদিক বৈঠকে বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য প্রশ্ন তোলেন, “যে গাড়ি নিয়ে এলেন আর যে গাড়ি নিয়ে বেরিয়ে গেলেন, সেই দুটোর নম্বর এক নয় কেন? সবুজ ফাইলে কী ছিল, প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। তবে কি নেতাদের নাম বেরিয়ে পড়বে? কত নেতাদের কাছে সরাসরি টাকা গিয়েছে, সব সামনে আসবে?”
শমীকের কথায়, “কয়লা কেলেঙ্কারির মতো দুর্নীতিতে শিলমোহর লাগিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। যোগসূত্র পাওয়ার জন্য তদন্ত চলছে। পশ্চিমবঙ্গে যতগুলি তদন্ত চলছে, সেগুলি সব চলছে হাইকোর্টের নির্দেশে। অতীতেও দেখা গিয়েছে, গতি শ্লথ হয়ে যাওয়ার জন্য ভর্ৎসনার সম্মুখীন হতে হয়েছে।” শমীকের দাবি, মমতা কেন পৌঁছে গেলেন, সেই সব প্রশ্ন বিজেপি তুলছে না, তুলছে সাধারণ মানুষ।
উল্লেখ্য, গত বৃহস্পতিবার সল্টলেক সেক্টর ৫-এর অফিসে যখন ইডি তল্লাশি চলছে, তখন পৌঁছে যান মুখ্যমন্ত্রী। এরপর বেশ কিছু ফাইল সেই অফিস থেকে বের করে গাড়িতে তোলা হয়। যে গাড়িতে মুখ্যমন্ত্রী এসেছিলেন, সেই গাড়িতেই তোলা হয় ফাইল। পরে অন্য গাড়িতে বেরিয়ে যান মমতা। জানা গিয়েছে, যে গাড়িতে মমতা ওই অফিসে গিয়েছিলেন, সেটি ছিল দলের গাড়ি, আর যে গাড়িতে ফিরে যান সেটি সরকারি গাড়ি।
