
কলকাতা: শহরে ফের অগ্নিকাণ্ড। একটি মোমো কারখানায় বিধ্বংসী আগুন লেগেছে। জানা গিয়েছে, রুবির আরবানার পিছনে একটি ব্রান্ডেড মোমো ও কেক প্রস্তুতকারক সংস্থার ওয়ারহাউসে আগুন লাগে। নিমেষেই সেই আগুন ছড়িয়ে পড়ে। ইতিমধ্যেই ঘটনাস্থলে পৌঁছেছে দমকলের ১২টি ইঞ্জিন। আগুন নেভানোর চেষ্টা চলছে। তবে আগুন সম্পূর্ণ নিয়ন্ত্রণে আনতে আরও কিছুটা সময় লাগতে পারে বলেই খবর। অগ্নিকাণ্ডে এখনও পর্যন্ত তিনজনের মৃত্যু হয়েছে। নিখোঁজ আরও তিনজন।
জানা গিয়েছে, গতকাল, রবিবার রাত তিনটে নাগাদ রুবির পিছন দিকে, আনন্দপুরে নাজিরাবাদ রোড অবস্থিত একটি মোমো তৈরির কারখানায় আগুন লাগে। তিনটে নাগাদ আগুন লাগে। দ্রুত দমকলে খবর দেওয়া হয়। আগুন ক্রমে ছড়িয়ে পড়তে থাকে। দমকলের ১২টি ইঞ্জিন বর্তমানে আগুন নেভানোর কাজ করছে। আগুন যে ভয়াবহ আকার নিচ্ছিল, তা অনেকটাই নিয়ন্ত্রণে আনা সম্ভব হয়েছে এখন।
#WATCH | West Bengal | Fire broke out in a manufacturing unit in Anandapur, Kolkata. Efforts to douse the fire are underway. pic.twitter.com/YhAhHfPlT4
— ANI (@ANI) January 26, 2026
কীভাবে আগুন লাগল, তা এখনও জানা যায়নি। তবে প্রাথমিকভাবে অনুমান করা হচ্ছে, ইলেকট্রিক লাইন বা শর্ট সার্কিট থেকে আগুন লাগতে পারে। পাশেই রয়েছে “মডার্ন ডেকরেটর” এর গুদাম। ওই মোমো কারখানার পাশেই কেক তৈরির কারখানাও রয়েছে। রাত তিনটের সময় আগুন লাগায়, সেই সময় অধিকাংশ কারখানা-ওয়ারহাউসই বন্ধ ছিল। যেহেতু এই কারখানাগুলির ভিতরে প্রচুর পরিমাণ দাহ্য পদার্থ মজুত ছিল, তাই সেখান থেকে দ্রুত আগুন ছড়িয়ে পড়ে।
মোমো কারখানায় প্রচুর পরিমাণে পাম তেল থাকায়, আগুনের উৎসস্থলে পৌঁছনো যাচ্ছে না। ভস্মীভূত হয়ে গিয়েছে মোমো কারখানা।
এদিকে, মোমো কারখানায় নাইট ডিউটিতে তিনজন কর্মী ছিলেন। তাদের মধ্যে একজন পঙ্কজ হালদার। তিনি আগুন লাগার পর স্ত্রীকে ফোন করে বলেন, “আর বাঁচব না”। কিছু সময় পর থেকে তাঁর ফোন বন্ধ আসে। এখন চরম উদ্বেগে কারখানার বাইরে দাড়িয়ে রয়েছেন পরিবারের সদস্যরা। পরে জানা যায়, তিনজনের মৃত্যু হয়েছে অগ্নিকাণ্ডে।