Ex Chief Justice: তদন্তে ‘ফুটো’ তৈরি করতে পারে কলকাতা পুলিশ: হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি

Ex Chief Justice: অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, আরজি করের ঘটনাটি তদন্তের পর্যায়ে রয়েছে। তদন্ত করছে সিবিআই। শীর্ষ আদালতের নির্দেশে ও পর্যবেক্ষণে তদন্ত হচ্ছে। এই পর্যায়ে প্রথম যারা তদন্ত করছিল, তাদের বলা হয় 'ফাংটাস অফিসিও' (functus officio)।

Ex Chief Justice: তদন্তে 'ফুটো' তৈরি করতে পারে কলকাতা পুলিশ: হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি
অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি দেবাশিস কর গুপ্তImage Credit source: GFX- TV9 Bangla
Follow Us:
| Edited By: | Updated on: Aug 31, 2024 | 2:17 PM

কলকাতা: আরজি করের ঘটনায় প্রতিনিয়ত সামনে আসছে নতুন তথ্য। সামনে আসছে নতুন নতুন তত্ত্বও। নিত্যনতুন অভিযোগ উঠছে। গত কয়েকদিন ধরে দেখা যাচ্ছে, সেই সব তথ্য ও তত্ত্ব নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করছে কলকাতা পুলিশ। ডিসি সেন্ট্রাল ইন্দিরা মুখোপাধ্যায় সংবাদমাধ্যমের নানা প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন, ঘটনাস্থলের ছবি তুলে ধরে ব্যাখ্যাও দিচ্ছেন। একটি ঘটনায় যখন কেন্দ্রীয় সংস্থা ‘সেন্ট্রাল ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন’ বা সিবিআই (CBI) তদন্ত করছে, যে তদন্তভার পুলিশের হাতেই নেই, তা নিয়ে কেন বারবার কথা বলছে কলকাতা পুলিশ? এই ক্ষেত্রে তদন্ত ব্যাহত হতে পারে বলে উল্লেখ করলেন কলকাতা হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি দেবাশিস কর গুপ্ত।

অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি জানিয়েছেন, আরজি করের ঘটনাটি তদন্তের পর্যায়ে রয়েছে। তদন্ত করছে সিবিআই। শীর্ষ আদালতের নির্দেশে ও পর্যবেক্ষণে তদন্ত হচ্ছে। এই পর্যায়ে প্রথম যারা তদন্ত করছিল, তাদের বলা হয় ‘ফাংটাস অফিসিও’ (functus officio)। অর্থাৎ তদন্তভার সিবিআই-এর হাতে তুলে দেওয়ার পর কলকাতা পুলিশ এখন ‘ফাংটাস অফিসিও’, যাদের তদন্তের মেয়াদ ফুরিয়ে গিয়েছে।

এ ক্ষেত্রে কী প্রভাব পড়তে পারে তদন্তে? হাইকোর্টের অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি দেবাশিস কর গুপ্ত এই প্রসঙ্গে উল্লেখ করেছেন, তদন্তের ক্ষেত্রে একটি পরিচিত বাক্য হল- ‘এভরি লিকেজ ইজ আ লস ফর দ্য ইনভেস্টিগেশন টু অ্যারাইভ অ্যাট এ কারেক্ট অ্যান্ড পারফেক্ট কনক্লুসন।’ অর্থাৎ, তদন্তে কোনও ছিদ্র থাকলে, সঠিক কিনারায় পৌঁছতে বাধা আসে।

অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতির বক্তব্য, “কোনও তথ্য প্রমাণ গোপন করা হবে, কোনটা তদন্তের কাজে লাগবে, সেটা এই মুহূর্তে সিবিআই জানে।” তাঁর প্রশ্ন, “পুলিশ এভাবে এমন কিছু সামনে আনছে না তো? যা সিবিআই হয়ত গোপন রেখে তদন্ত করছে। সে ক্ষেত্রে তদন্তে ওই লিকেজ বা ছিদ্র হওয়ার সম্ভাবনা থাকবে।” এ ব্যাপারে যদি মনে করে, তাহলে শীর্ষ আদালত সতর্ক করতে পারে বলে জানিয়েছেন অবসরপ্রাপ্ত প্রধান বিচারপতি।