KMC: হাইকোর্টের নির্দেশের পরও কলকাতা পুরনিগমে বিরাট জটিলতা! ফিরহাদ পদত্যাগ করলে কী হবে?
Firhad Hakim: যদি মেয়র ফিরহাদ হাকিম নিজের পদ থেকে পদত্যাগ করেন, তাহলে অধিবেশন হবে কীভাবে? কারণ তখন বোর্ড ভেঙে যাবে। যদিও চেয়ারপার্সন স্পষ্ট করে দেন, আইন অনুযায়ী অধিবেশন ডাকা হয়েছে। মেয়র পদত্যাগ করলেও সেই আইন অনুযায়ী অধিবেশন ডাকা সম্ভব।

কলকাতা: অধিবেশন ঘিরে কি নতুন জটিলতা তৈরি হতে চলেছে কলকাতা পুরসভায়? (KMC) গত ২২ মে কলকাতা পুরনিগমে অধিবেশন ঘিরে যে বিতর্কের সূত্রপাত হয়, সেখানে শাসক-বিরোধী রাজনীতি চরম মাত্রায় পৌঁছেছিল। এবার একই ঘটনার পুনরাবৃত্তি হতে চলেছে আগামী ১৯ জুন?
কলকাতা হাইকোর্ট থেকে মাসিক অধিবেশন করার ব্যাপারে কলকাতা পুরনিগমের চেয়ারপার্সনকে সম্পূর্ণ অধিকার দিয়েছে ডিভিশন বেঞ্চ। সেই মতো কলকাতা পুরনিগমের চেয়ারপার্সন মালা রায় বৃহস্পতিবার সাংবাদিক বৈঠক করে জানান, ১৯ জুন মাসিক অধিবেশন হতে চলেছে।
কী বলছেন পুর কমিশনার স্মিতা পাণ্ডে?
কলকাতা পুরনিগমের ১৯৮০ সালের পৌর আইন অনুযায়ী, এই পৌর অধিবেশন ডাকা হয়েছে। সেটা হবেই। জানিয়ে দিয়েছেন চেয়ারপার্সন। যদিও কলকাতা পুরনিগমের কমিশনার স্মিতা পাণ্ডেকে এ ব্যাপারে জিজ্ঞাসা করা হলে তিনি জানিয়ে দেন, পুরো বিষয়টি এখনও বিচারাধীন। হাইকোর্টের কাছ থেকে তাঁরা কোনও অর্ডার পাননি। অর্থাৎ এই অধিবেশন ঘিরে যে নতুন করে বিতর্ক তৈরি হতে চলেছে, তা ইতিমধ্যেই পরিষ্কার।
কলকাতা পুরসভার আইন অনুযায়ী, মাসিক অধিবেশন ডাকার ক্ষমতা বা বাতিল করার ক্ষমতা একমাত্র পুরসভার চেয়ারপার্সনের রয়েছে। গতবার অধিবেশন বাতিল বিতর্কে এই আইন নিয়েই সবথেকে বেশি সরব হয় পুরসভার ক্ষমতাসীন তৃণমূল কংগ্রেস।
ফিরহাদ হাকিম পদত্যাগ করলে কী হবে?
কিন্তু প্রশ্ন উঠছে, যদি মেয়র ফিরহাদ হাকিম নিজের পদ থেকে পদত্যাগ করেন, তাহলে অধিবেশন হবে কীভাবে? কারণ তখন বোর্ড ভেঙে যাবে। যদিও চেয়ারপার্সন স্পষ্ট করে দেন, আইন অনুযায়ী অধিবেশন ডাকা হয়েছে। মেয়র পদত্যাগ করলেও সেই আইন অনুযায়ী অধিবেশন ডাকা সম্ভব। সব মিলিয়ে কলকাতা পুরনিগমের রাজনৈতিক উত্তাপ যে বাড়তে চলেছে, তেমনটাই মনে করছে রাজনৈতিক মহল।
