AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

Indian railways: ৯ মাসে প্রাণ বাঁচল ২৫৫ হাতির, কীভাবে সম্ভব করল উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল?

AI-Based Technology to Protect Elephants: রেললাইনের পাশে খাবারের বর্জ্য না ফেলতে রেলকর্মী, ট্রেনের কর্মী ও যাত্রীদেরও নিয়মিত সচেতন করা হচ্ছে। কারণ খাবারের গন্ধে হাতি ও অন্যান্য বন্যপ্রাণী রেললাইনের কাছে চলে আসতে পারে। হাতির গতিবিধি নজরে এলেই বন দফতরের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত পদক্ষেপ করা হচ্ছে।

Indian railways: ৯ মাসে প্রাণ বাঁচল ২৫৫ হাতির, কীভাবে সম্ভব করল উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল?
ফাইল ফোটোImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Oct 04, 2026 | 9:02 PM
Share

কলকাতা: রেললাইন পারাপারের সময় ট্রেনের ধাক্কায় হাতির মৃত্যু ঢেকাতে বড় পদক্ষেপ। একাধিক প্রযুক্তিনির্ভর ও প্রতিরোধমূলক ব্যবস্থা জোরদার করেছে উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেল (NFR)। চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে সেপ্টেম্বর পর্যন্ত রেলের তৎপরতায় ট্রেনের ধাক্কা থেকে রক্ষা পেয়েছে মোট ২৫৫টি হাতি। রেলের তথ্য অনুযায়ী, আলিপুরদুয়ার ডিভিশনে ১০৬টি, রঙ্গিয়ায় ১৪টি, লামডিংয়ে ১২২টি এবং তিনসুকিয়া ডিভিশনে ১৫টি হাতিকে সময়মতো হস্তক্ষেপ করে রক্ষা করা হয়েছে।

হাতির গতিবিধি নজরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে বসানো হয়েছে AI-ভিত্তিক ইন্ট্রুশন ডিটেকশন সিস্টেম (IDS)। ডিস্ট্রিবিউটেড অ্যাকুসটিক সিস্টেম (DAS) প্রযুক্তির মাধ্যমে রেললাইনের কাছে হাতির উপস্থিতি শনাক্ত হলেই রেলকর্মীদের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে তাৎক্ষণিক সতর্কবার্তা। পাশাপাশি হাতির গতিবিধি অনুযায়ী রাতে ও প্রয়োজন অনুযায়ী অস্থায়ীভাবে ট্রেনের গতি কমানো হচ্ছে।

বাড়ানো হয়েছে নজরদারি ও টহল। ট্রেনের চালক ও কর্মীদের নিয়মিত সচেতন করা হচ্ছে। লাগানো হচ্ছে সতর্কতামূলক সাইনবোর্ড। পাশাপাশি রেললাইনের পাশের অতিরিক্ত গাছপালা পরিষ্কার করা এবং বন দফতরের সঙ্গে রিয়েল-টাইম সমন্বয় করা হচ্ছে।

হাতিকে রেললাইন থেকে দূরে রাখতে গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় ব্যবহার করা হচ্ছে ‘Plan Bee’ প্রযুক্তি। এই ব্যবস্থায় মৌমাছির গুঞ্জনের শব্দ ব্যবহার করে হাতিকে রেললাইন থেকে দূরে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করা হয়। হাতির নিরাপদ যাতায়াতের জন্য কয়েকটি এলাকায় আন্ডারপাস তৈরির কাজও করা হয়েছে।

রেললাইনের পাশে খাবারের বর্জ্য না ফেলতে রেলকর্মী, ট্রেনের কর্মী ও যাত্রীদেরও নিয়মিত সচেতন করা হচ্ছে। কারণ খাবারের গন্ধে হাতি ও অন্যান্য বন্যপ্রাণী রেললাইনের কাছে চলে আসতে পারে। হাতির গতিবিধি নজরে এলেই বন দফতরের সঙ্গে সমন্বয় করে দ্রুত পদক্ষেপ করা হচ্ছে।

ট্রেনের ধাক্কায় হাতি মৃত্যুর প্রতিটি ঘটনাকেই গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করা হচ্ছে। প্রযুক্তিনির্ভর নজরদারি, সতর্কতা এবং বন দফতরের সঙ্গে সমন্বয়ের মাধ্যমে হাতি রক্ষার পাশাপাশি নিরাপদ ট্রেন চলাচল নিশ্চিত করাই লক্ষ্য বলে জানিয়েছেন উত্তর-পূর্ব সীমান্ত রেলের আধিকারিকরা।

Follow Us