NIA IMK terror network: কীভাবে বাংলা-সহ উত্তর-পূর্ব ভারতে জঙ্গি জাল বিস্তার? ‘পূর্ব আকাশ’ টেলিগ্রাম চ্যানেলেই লুকিয়ে রহস্য
IMK terror module: গোয়েন্দা সূত্রে খবর, একাধিক গোপন বৈঠক করে জিহাদি কার্যকলাপ শুরু করে দিয়েছিল তারা। জিহাদি পুস্তক বিতরণ, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেও যুব সমাজকে আকৃষ্ট করার কাজ করছিল। ভারত বিরোধী কার্যকলাপ শুরু করে দিয়েছিল।

কলকাতা: বাংলা-সহ উত্তর-পূর্ব ভারতের একাধিক রাজ্যে জাল বিস্তার। কিন্তু, কীভাবে জাল বিস্তার করেছিল জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) ছায়া সংগঠন ইমাম মাহমুদুর কাফিলা (IMK)। তদন্তে নেমে বিস্ময়কর তথ্য পেল জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (NIA)। তদন্তে উঠে এল, ‘পূর্ব আকাশ’ নামে টেলিগ্রাম চ্যানেল খুলে জাল বিস্তার করছিল জঙ্গিরা। একাধিক রাজ্যের ১৬ জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে ১৩ জনকে গ্রেফতার করল এনআইএ।
জামাতুল মুজাহিদিন বাংলাদেশের (জেএমবি) ছায়া সংগঠন হল ইমাম মাহমুদুর কাফিলা। বাংলা এবং অসম, ত্রিপুরা-সহ উত্তর পূর্বের রাজ্যগুলিতে সংগঠন বিস্তার করছিল IMK। বাংলাদেশের জুলাই আন্দোলনের পরবর্তীতে বহু জেএমবি জঙ্গি জেল মুক্ত হয়ে আবার সক্রিয় হয়। ভারতের উত্তর-পূর্বের রাজ্যগুলিকে টার্গেট করে সংগঠন বিস্তারে নেমে পড়ে।
গোয়েন্দা সূত্রে খবর, একাধিক গোপন বৈঠক করে জিহাদি কার্যকলাপ শুরু করে দিয়েছিল তারা। জিহাদি পুস্তক বিতরণ, সোশ্যাল মিডিয়ার মাধ্যমেও যুব সমাজকে আকৃষ্ট করার কাজ করছিল। ভারত বিরোধী কার্যকলাপ শুরু করে দিয়েছিল।
সেই সূত্রেই তদন্তে নেমে বাংলার বেশ কয়েকজনের নাম খুঁজে পায় এনআইএ। NIA-র গুয়াহাটি শাখা তদন্ত শুরু করে ১১ জনের নামে চার্জশিট দেয়। চার্জশিটে উল্লেখ রয়েছে, অসমের নাসিমুদ্দিন ও ত্রিপুরার জাগির মিঞা নামের দুই মাথা নিয়ন্ত্রণ করছিল এই সংগঠনের কার্যকলাপ। ‘পূর্ব আকাশ’ নামে টেলিগ্রাম চ্যানেল খুলে জাল বিস্তার করছিল।
এই দুই মাথাই বাংলায় নতুন করে স্লিপার সেল তৈরি করেছিল। সংগঠন বিস্তারের পাশাপাশি অর্থ জোগাড় চলছিল। এই জঙ্গি সংগঠনের বিরুদ্ধে বাংলায় ৫ জায়গায় তল্লাশি চালায় NIA। সবমিলিয়ে বিভিন্ন রাজ্যের ১৬ জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে গ্রেফতার করা হয় ১৩ জনকে। এর মধ্যে অসম থেকে ৮ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। বাংলা থেকে ৪ জন ও কেরল থেকে এক জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। ১৩ জনকে গ্রেফতারের পাশাপাশি উদ্ধার করা হয়েছে মোবাইল, মেমোরি কার্ড-সহ একাধিক ডিজিটাল ডিভাইস। এই জঙ্গি সংগঠন তাদের জাল কতদূর বিস্তার করেছিল, তা তদন্ত করে দেখছে NIA।
