AQI
TV9 Network
User
Sign In

By signing in or creating an account, you agree with Associated Broadcasting Company's Terms & Conditions and Privacy Policy.

SSC: চিরতরে চাকরি হারালেন ১ হাজারের বেশি যোগ্য! কেন?

২০১৬ সালে চাকরি পাওয়ার ১১ বছর পরে তারা চাকরির দৌড় থেকে বাদ পড়ে গেলেন। বিগত সরকারের দুর্নীতির কারণে বাতিল হয় সম্পূর্ণ প্যানেল। নতুন পরীক্ষার রেজাল্টে তারা ছিটকে গেলেন।  এই ১ হাজারের বেশি শিক্ষাকর্মী বয়সের কারণে আর পরীক্ষার বসতে পারবেন না। বিকল্প পেশার সন্ধানে তাঁরা।

SSC: চিরতরে চাকরি হারালেন ১ হাজারের বেশি যোগ্য! কেন?
ফাইল ছবিImage Credit: TV9 Bangla
| Edited By: | Updated on: Nov 06, 2026 | 2:22 PM
Share

কলকাতা: চিরতরে চাকরি হারালেন ১ হাজারের বেশি যোগ্য শিক্ষাকর্মী। ২০১৬ সালে চাকরি পাওয়ার ১১ বছর পরে তারা চাকরির দৌড় থেকে বাদ পড়ে গেলেন। বিগত সরকারের দুর্নীতির কারণে বাতিল হয় সম্পূর্ণ প্যানেল। নতুন পরীক্ষার রেজাল্টে তারা ছিটকে গেলেন।  এই ১ হাজারের বেশি শিক্ষাকর্মী বয়সের কারণে আর পরীক্ষার বসতে পারবেন না। বিকল্প পেশার সন্ধানে তাঁরা।

সোমবার গ্রপ ডি-র ফল প্রকাশিত হয়। গ্রুপ ডি-তে মোট শূন্যপদ রয়েছে ৫,৪৮৮টি। ইন্টারভিউয়ের জন্য প্রায় ২৭ হাজার প্রার্থীকে ডাকা হয়েছে। তাতে দেখা যায়, শিক্ষাকর্মীদের মধ্যে ১ হাজার জন নতুনদের সঙ্গে কাট অফে পেরে উঠলেন না। প্রতিটি জোনে কাট-অফ বেশ চড়া রয়েছে। অনেক ‘যোগ্য’ বা ফ্রেশার চাকরিপ্রার্থী ভালো নম্বর পেয়েও ইন্টারভিউ তালিকায় জায়গা পাননি বলে অভিযোগ উঠেছে। শিক্ষক–শিক্ষিকাদের মতো এ ক্ষেত্রেও ইন্টারভিউয়ের আগেই অভিজ্ঞতার জন্য নম্বর যুক্ত হয়েছে। তা সত্ত্বেও শ’পাঁচেক ‘যোগ্য’ চাকরিহারার নাম নেই।তাঁরা ২০১৬ সালে চাকরি পেয়েছিলেন। তাঁরা এবার চিরতরে চাকরি পাওয়ার সুযোগ হারালেন। তাঁরা বেতন পাচ্ছিলেন না, বেতন বন্ধ ছিল। তাঁরা এবারের পরীক্ষায় বসেন, কিন্তু কাট অফে আর তাল মেলাতে পারেননি। চাকরি পাওয়ার দৌড় থেকেও ছিটকে গেলেন তাঁরা। তাঁদের শেষ আশাটুকুও শেষ!

চাকরিহারা শিক্ষাকর্মী অমিত মণ্ডল বলেন, “আমরা নতুন সরকারের কাছেও বারবার গিয়েছিলাম। বলেছিলাম, যোগ্য যাঁরা রয়েছেন, তাঁদের জন্য ব্যবস্থা করুন। কিন্তু তা করা হয়নি। পরীক্ষা নিল। প্রথম রেজাল্টেই দেখা গেল ১০০০ জন যোগ্য বাদই চলে গেলেন। এখনও অনেকগুলো স্টেপ বাকি। শেষে দেখা যাবে হয়তো, ৫ কিংবা ১০ শতাংশ যোগ্য শিক্ষাকর্মী চাকরি পাবেন।”

শিক্ষক চিন্ময় মণ্ডল বলেন, “খুবই দুর্ভাগ্যজনক! ২ বছর তাঁরা স্কুলে যেতে পারছেন না। বেতন বন্ধ। নতুন করে পরীক্ষা দিয়ে চাকরি বাঁচানোর লড়াই, সেটা সত্যিই কঠিন। শিক্ষাকর্মীরা স্কুলের অন্যান্য কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকেন। তাঁদের পক্ষে এই লড়াইটা কঠিন। যাঁরা কাট অফ ক্লিয়ার করতে পারলেন না, তাঁদের জন্য নিশ্চয়ই সরকার কিছু একটা ব্যবস্থা করবে।”

Follow Us