
কলকাতা: অতীত অভিজ্ঞতা ভালো নয়। পঞ্চায়েত নির্বাচনের প্রসঙ্গ টেনে বাংলায় আগত ৪৮০ কোম্পানি কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে কার্যত নিরাশা প্রকাশ করলেন বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তাঁর কথায়, “অতীত অভিজ্ঞতা নিয়ে বলছি, বাহিনীর রুট মার্চ থেকে কিউআর টিম — প্রতি পদক্ষেপে ষড়যন্ত্রের চেষ্টা চলে। কীভাবে ভাল ফল পাবেন? এই যেমন পঞ্চায়েত নির্বাচনে সুপ্রিম-হস্তক্ষেপে ৮২০ কোম্পানি বাহিনীকে বসিয়ে রাখা হয়েছিল।”
তবে শুধুই কেন্দ্রীয় বাহিনী নিয়ে নয়। কমিশনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলে দিয়েছেন শুভেন্দু। ভোটার তালিকার বিশেষ নিবিড় পরিমার্জনের কাজ ‘আপ টু দ্য মার্ক’ হয়নি বলেই দাবি করেছেন তিনি। তাঁর সাফ কথা, “জেলাশাসকদের পদক্ষেপ করা উচিত ছিল। বেশ কিছু বিএলও, ইআরও, এইআরওদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত ছিল। আমি জানি না, সিইও অফিস হয়তো পাঠিয়েছিল, কমিশন অনুমোদন দেয়নি। কিংবা সিইও অফিসই পাঠায়নি।”
বাংলার এসআইআর পর্ব শুরুর আগে বঙ্গ বিজেপির শীর্ষ নেতারাই বুক ঠুকে বলেছিল, ১ কোটি নাম বাদ যাবে। নির্বাচন কমিশন অনুপ্রবেশকারীদের তাড়াবে। কিন্তু নিবিড় পরিমার্জনের কাজ যত এগিয়েছে, তত এই চওড়া দাবিগুলি যেন সংকুচিত হয়েছে। গত জানুয়ারি মাসেই মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারের উদ্দেশে কড়া কথা বলেছিলেন রাজ্যে বিজেপির সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য।
রাস্তায় নামার কথা দাবি তুলে তিনি বলেছিলেন, “মুখ্য নির্বাচন কমিশনারকে বলেছি আপনি এ রাজ্যে আসুন। দিল্লিতে বসে থাকলে হবে না। এরাজ্যে এসে ঘুরে দেখুন।” এ রাজ্যে কীভাবে হচ্ছে এসআইআর হচ্ছে, তা খতিয়ে দেখার প্রয়োজন রয়েছে বলেও পরামর্শ দিয়েছিলেন শমীক। এবার কমিশনের বিরুদ্ধে ইঙ্গিতে ক্ষোভ উগড়ে দিলেন শুভেন্দুও।