Raju Jha Murder: রাজুর ফরচুনার আসলে গরুপাচার চক্রের অন্যতম পাণ্ডা আব্দুল লতিফের? তিনিও ছিলেন গাড়িতে?

সিজার মণ্ডল | Edited By: জয়দীপ দাস

Apr 02, 2023 | 12:40 PM

Raju Jha Murder: ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা রাজু ঝাঁয়ের খুনের পিছনে স্পষ্টতই রয়েছে রাজনৈতিক অভিসন্ধি। দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা, আর তারপরেই প্ল্যানমাফিক খুন করা হয়েছে রাজুকে।

Raju Jha Murder: রাজুর ফরচুনার আসলে গরুপাচার চক্রের অন্যতম পাণ্ডা আব্দুল লতিফের? তিনিও  ছিলেন গাড়িতে?
রাজু ঝায়ের মৃত্যু ঘিরে রহস্য।

Follow Us

কলকাতা : রাজু ঝাঁ হত্যাকাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য় টিভি-৯ বাংলার হাতে। শনিবার সন্ধ্যায় ঘটনাটি ঘটেছে পূর্ব বর্ধমানের শক্তিগড়ের (Shaktigarh) ১৯ জাতীয় সড়কের উপর ল্যাংচা হাবের কাছে একটি সাদা চারচাকা (ফরচুনা) গাড়ি নিয়ে দাঁড়িয়ে ছিলেন রাজু। সেই সময় বর্ধমান থেকে কলকাতার (Kolkata) দিকে যাওয়া একটি নীল রঙের গাড়ি থেকে তাঁদের লক্ষ্য করে গুলি ছোড়া হয়। সূত্রের খবর, যে গাড়িতে করে রাজু ঝা (Raju Jha Murder) কলকাতায় আসছিলেন সেটি আব্দুল লতিফের গাড়ি। গরু পাচার চক্রের অন্যতম পাণ্ডা এই আব্দুল লতিফ। সিবিআইয়ের খাতায় এখনও ফেরার এই আব্দুল লতিফ। সেই আব্দুল লতিফের গাড়িতে কেন রাজু? তা নিয়ে শুরু হয়েছে জল্পনা। এদিকে ২০২০ সালের ডিসেম্বর মাসে দিলীপ ঘোষের উপস্থিতিতে রাজু ঝা বিজেপিতে যোগদানও করেছিলেন।

ওয়াকিবহাল মহলের ধারণা রাজু ঝাঁয়ের খুনের পিছনে স্পষ্টতই রয়েছে রাজনৈতিক অভিসন্ধি। দীর্ঘদিনের পরিকল্পনা, আর তারপরেই প্ল্যানমাফিক খুন করা হয়েছে রাজুকে। পুলিশ সূত্রে খবর, খনি অঞ্চলে অবৈধ কয়লার কারবারে এই রাজুর নাম ছিল প্রথম সারিতে। অণ্ডাল থেকে ডানকুনির আগে পর্যন্ত ছিল রাজুর কয়লা ‘কারনামা’। এই রাজুর উত্থান রানিগঞ্জ থেকে। জীবনের শুরু দিকে ছিলেন কয়লার ট্রাকের খালাসি। ২০০৩-২০০৪ সাল থেকে অবৈধ কয়লার কারবারে হাত পাকাতে শুরু করেছিল রাজু। পথচলা শুরু অর্গানাইজডভাবে কয়লা ট্রান্সপোর্টের মধ্যে দিয়ে। বেআইনি কয়লাকে অর্গানাইজডভাবে ট্রান্সপোর্ট করতে শুরু করেছিল এই রাজু। এদিকে কয়লাকাণ্ডে তাঁর বয়ান রেকর্ড করার জন্য সোমবার ডেকে পাঠিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডাইরেক্টরেট। তার ঠিক একদিন আগে এ ঘটনা ঘটে যাওয়ায় তা নিয়ে জোর জল্পনা শুরু হয়েছে নানা মহলে। 

কিন্তু, কেন তিনি এনামূল, অনুব্রত ঘনিষ্ঠ আব্দুল লতিফের গাড়িতে যাচ্ছিলেন তা এখনও স্পষ্ট নয়। তাহলে কী কয়লা পাচারের সঙ্গে গরু পাচারকাণ্ডের কোথাও একটা যোগসূত্র রয়েছে? তা নিয়েও উঠছে প্রশ্ন। পাশাপাশি প্রত্যক্ষদর্শীরা দাবি করছেন ঘটনার সময় গাড়িতে চারজন ছিলেন। অনেকেই মনে করছেন ঘটনার সময় গাড়িতে আব্দুল লতিফও ছিলেন। যদিও পূর্ব বর্ধমান জেলা পুলিশের দাবি চালক সহ গাড়িতে তিনজন ছিলেন। রাজু ছাড়াও ছিলেন তাঁর সঙ্গী বোতিন মুখোপাধ্যায়। তিনিও গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। এ ঘটনাট কড়া প্রতিক্রিয়া দিয়েছেন বিজেপির সর্বভারতীয় সহ-সভাপতি দিলীপ ঘোষ। শাসকদলের বিরুদ্ধে সুর চড়িয়ে বলেন, “এখন গোটা পশ্চিমবঙ্গজুড়ে বোম-বন্দুকের আওয়াজ শোনা যাচ্ছে। কারও জীবনে কোনও সুরক্ষা নেই। একজন বড় ব্যবসায়ীকে যেভাবে হাইওয়ের উপরে খুন করা হয়েছে তাতে পশ্চিমবাংলার আইন-শৃঙ্খলা নিয়ে চিন্তা আরও বাড়ছে।”

Next Article