RG Kar: ‘সিবিআই-এর দেখা উচিৎ ছিল’, আরজি কর মামলায় তদন্তের গতি নিয়ে প্রশ্ন তুলল আদালত
RG Kar Case: কয়েকজন ব্যক্তিকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করা হয়েছিল পরিবারের তরফে। এই প্রেক্ষিতে আদালতের পর্যবেক্ষণ, সিবিআই-এর এই বিষয়টা দেখা উচিত ছিল, সিবিআই-এর তদন্তের গতি শ্লথ ছিল। ১৫ মাস ধরে তদন্ত করছে সিবিআই। তদন্তের গতি বাড়াতে হবে বলে জানিয়েছে আদালত।

কলকাতা: আরজি করের চিকিৎসক ছাত্রীকে ধর্ষণ ও খুনের ঘটনায় পরিবারের তরফে শিয়ালদহ আদালতে যে নতুন আবেদন করা হয়েছিল, তার শুনানির পর সিবিআই-এর তদন্তের গতি নিয়ে প্রশ্ন তুলল আদালত। তবে নির্যাতিতার পরিবারের আবেদন বিবেচনার মধ্যে পড়ে না বলে জানানো হয়েছে। যে আবেদন পরিবার করেছিল, তা গ্রহণ করেই আদালত এই পর্যবেক্ষণ দিয়েছে শুক্রবার।
আবেদন খারিজ না করে পর্যবেক্ষণে বিচারকের মত, তদন্তের গতি শ্লথ হয়েছে, গতি আনা প্রয়োজন। কয়েকজন ব্যক্তিকে হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন করা হয়েছিল পরিবারের তরফে। এই প্রেক্ষিতে আদালতের পর্যবেক্ষণ, সিবিআই-এর এই বিষয়টা দেখা উচিত ছিল, সিবিআই-এর তদন্তের গতি শ্লথ ছিল। ১৫ মাস ধরে তদন্ত করছে সিবিআই। তদন্তের গতি বাড়াতে হবে বলে জানিয়েছে আদালত।
তিলোত্তমার পরিবারের তরফে শিয়ালদহ আদালতে গত মঙ্গলবার নতুন করে একটি আবেদন করা হয়। যে আবেদনে কলকাতা পুলিশের এএসআই অনুপ দত্ত, কয়েকজন চিকিৎসক সহ কলকাতা পুলিশের বেশ কয়েকজন অফিসার ও রোগী কল্যাণ সমিতির চেয়ারম্যান সুদীপ্ত রায়কে গ্রেফতারি ও হেফাজতে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের আবেদন জানানো হয়।
নির্যাতিতা চিকিৎসক ছাত্রীর পরিবারের হয়ে আইনজীবীরা আদালতে বলেন, সিবিআইয়ের তরফে উচ্চ আদালতে যে স্টেটাস রিপোর্ট জমা করা হয়েছে, সেই স্টেটাস রিপোর্ট বিশ্বাসযোগ্য নয়। কোর্টকে মিসলিড করা হয়েছে, কারণ প্রথম দিকে তারা যে স্টেটাস রিপোর্ট দিয়েছে এবং পরবর্তী সময়ে যে স্টেটাস রিপোর্ট জমা করেছে তার মধ্যে অনেক পার্থক্য রয়েছে।
পাশাপশি ১৫ ঘন্টা সিসিটিভি সিসি ক্যামেরার ফুটেজ দেখতে চেয়ে ফুটেজ হাতে পাওয়ার জন্য আবেদন জানানো হয়। একই সঙ্গে আইনজীবীরা বলেন, সিবিআই বৃহত্তর ষড়যন্ত্রের অংশীদার। পাল্টা সিবিআইয়ের তরফ থেকে আদালতে প্রশ্ন করা হয়, যাদের গ্রেফতার করার জন্য আবেদন করছে, কোন সেকশনে তাদেরকে গ্রেফতার করা হবে? কারণ এদের অনেককেই ইতিমধ্যে তদন্তের আওতায় আনা হয়েছে।
