
কলকাতা: প্রত্যেকটি অভিযোগ খতিয়ে দেখা, তার সারবত্তা বুঝে তদন্ত ও তল্লাশি। এবারের নির্বাচনে বিশেষ নজর কমিশনের। তৈরি হচ্ছে বিশেষ টিম। কমিশন সূত্রে খবর, গত এক মাসে উদ্ধার প্রায় ৪০০ কোটি টাকা। সম্প্রতি ৫টি নির্বাচনী রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল এবং তাদের ১২টি সীমান্তবর্তী রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলের মুখ্য সচিব, সিইও, ডিজিপি, এবং এনফোর্সমেন্ট এজেন্সিগুলির প্রধানদের সঙ্গে বৈঠক করে। সেখানে হিংসামুক্ত, ভয়মুক্ত এবং প্রলোভনমুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
এজন্য পাঁচ বিধানসভায় ৫,১৭৩টিরও বেশি ‘ফ্লাইং স্কোয়াড’ মোতায়েন করা হয়েছে। যাতে যে কোনও অভিযোগ ১০০ মিনিটের মধ্যে নিষ্পত্তি করা যায়। এর পাশাপাশি, বিভিন্ন স্থানে তল্লাশির জন্য ৫,২০০টিরও বেশি ‘স্ট্যাটিক সার্ভেইল্যান্স টিম’ মোতায়েন করা হয়েছে। ইলেকট্রনিক সিজার ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম চালু হওয়ার পর ২৫ মার্চ পর্যন্ত বিভিন্ন এনফোর্সমেন্ট এজেন্সির সমন্বিত অভিযানে মোট ৪০৮.৮২ কোটি টাকারও বেশি মূল্যের অবৈধ সামগ্রী বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে বলে সূত্রের খবর।
এর মধ্যে রয়েছে:
নগদ: ১৭.৪৪ কোটি টাকা
মদ: ৩৭.৬৮ কোটি টাকা ( উদ্ধার হয়েছে ১৬.৩ লক্ষ লিটার)
মাদকদ্রব্য: ১৬৭.৩৮ কোটি টাকা
মূল্যবান ধাতু: ২৩ কোটি টাকা
অন্যান্য : ১৬৩.৩০ কোটি টাকার বেশি জিনিস
কমিশন সূত্রে খবর, বিভিন্ন অভিযোগ নিষ্পত্তির জন্য জেলা স্তরে অভিযোগ কমিটি গঠন করা হয়েছে।
নাগরিক এবং রাজনৈতিক দলগুলি ‘ECINET’-এর অধীনে ‘সি-ভিজিল’ (C-Vigil) মডিউল ব্যবহার করে আদর্শ আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ জানানো যাবে।
জানা যাচ্ছে, ১৫ মার্চ থেকে ২৫ মার্চের মধ্যে সি-ভিজিল অ্যাপের মাধ্যমে মোট ৭০,৯৪৪টি অভিযোগ জমা পড়েছে। এর মধ্যে ৭০,৮৩১টি অভিযোগের নিষ্পত্তি করা হয়েছে। ৯৫.৮% অভিযোগ ১০০ মিনিটের মধ্যেই সমাধান করা হয়েছে বলে কমিশন বিশেষভাবে উল্লেখ করেছে।