‘দিলীপ বাবু ভোলাভালা মানুষ… বউকে সাবধানে রাখুন’, কেন বললেন সায়নী
Dilip Ghosh: বৃহস্পতিবার সকালে খড়্গপুরে প্রচারে বেরিয়ে খড়্গপুর সদর কেন্দ্রের প্রার্থী দিলীপ ঘোষ বলেন, "৪ তারিখের পর সব বদলে যাবে। এতদিন যে পুলিশকে দেখেছেন, তাঁদের অন্য রূপ দেখবেন। উত্তরপ্রদেশের স্টাইলে এনকাউন্টার হবে।"

কলকাতা: ‘দিলীপ বাবু ভোলাভালা মানুষ, তাই তিনি সত্যি কথা বলে ফেলেছেন।’ সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে এমনটাই বললেন রাজ্যের বিদায়ী মন্ত্রী ব্রাত্য বসু। বিজেপি প্রার্থী দিলীপ ঘোষের ‘এনকাউন্টার’ মন্তব্য প্রসঙ্গে একথা বলেন ব্রাত্য। সেই সঙ্গে দিলীপের স্ত্রী অর্থাৎ রিঙ্কু মজুমদারকে সাবধানে রাখার কথা বলেন তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ।
বৃহস্পতিবার সকালে খড়্গপুরে প্রচারে বেরিয়ে খড়্গপুর সদর কেন্দ্রের প্রার্থী দিলীপ ঘোষ বলেন, “৪ তারিখের পর সব বদলে যাবে। এতদিন যে পুলিশকে দেখেছেন, তাঁদের অন্য রূপ দেখবেন। উত্তরপ্রদেশের স্টাইলে এনকাউন্টার হবে।” তিনি আরও বলেন, “চমকে চমকে রাজনীতি করেছি। তাই মানুষ আমাকে ভোট দিয়েছে। আবার লড়ব।”
দিলীপের এই মন্তব্য প্রসঙ্গে এদিন সাংবাদিক বৈঠকে ব্রাত্য বসু বলেন, “দিলীপ বাবু ভোলাভালা মানুষ। ভিতরের কথা বলে দিয়েছেন। ওঁর স্ত্রীও প্রার্থী নিয়ে সত্যি কথা বলছেন। দিলীপ ঘোষ সত্যি কথা বলার পারিবারিক দায়িত্ব নিয়ে নিয়েছেন।”
ওই সাংবাদিক বৈঠকেই তৃণমূল সাংসদ সায়নী ঘোষ বলেন, “দিলীপ বাবুকে বলব বউকে একটু সাবধানে রাখুন। যে ধরনের কথা বলছেন, তাতে এনকাউন্টার না হয়ে যায়।” পরে ব্রাত্য বলেন, “আশা করব ওঁরা অনেকদিন বেঁচে থাকবেন।”
উল্লেখ্য, টিকিট পাওয়ার জন্য নিজের বায়োডাটা জমা দিয়েছিলেন দিলীপের স্ত্রী তথা বিজেপি নেত্রী রিঙ্কু মজুমদার। টিকিট না পাওয়ায় রিঙ্কু ক্ষোভ প্রকাশ করেন বলে সূত্রের খবর। বিজেপি নেতৃত্বের সঙ্গে দেখা করে নিজের ক্ষোভের কথা জানিয়েও এসেছেন তিনি। রিঙ্কু মজুমদারের বক্তব্য় ছিল, “আমি বাইরের কর্মী নই। আমি সিপিএম-কংগ্রেস থেকে আসিনি। বিজেপি দিয়েই রাজনৈতিক কেরিয়ার শুরু, সেটাতেই শেষ।” সূত্রের খবর, মেদিনীপুর, বীজপুর ও নিউটাউনের জন্য় বায়োডেটা জমা দিয়েছিলেন রিঙ্কু।
