Dilip Ghosh: টিকিট না পেয়ে মুখ ভার রিঙ্কুর, সটান অভিযোগ জানাতে হাজির বিজেপি দফতরে
Rinku Majumdar: সূত্রের খবর, মেদিনীপুর, বীজপুর ও নিউটাউনের জন্য় বায়োডেটা জমা দিয়েছিলেন রিঙ্কু। ভোটের আগে দিলীপ পত্নীর বায়োডাটা জমা ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে ওঠে। দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, “প্রার্থী হতে চেয়ে হাজার হাজার বায়োডাটা জমা পড়ছে।

কলকাতা: প্রার্থী হওয়ার জন্য বায়োডাটা জমা করেছিলেন, তাতেও কোনও লাভ হয়নি। দিলীপ ঘোষ টিকিট পেলেও, প্রার্থী করা হয়নি দিলীপের স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদারকে। টিকিট না পেয়ে অভিযোগ জানাতে তাই রিঙ্কু সোজা হাজির হলেন বিজেপির দফতরে। শুক্রবার সন্ধ্যায় বিজেপির সল্টলেক দফতরে হাজির হন দিলীপ-জায়া। বর্তমানে দিলীপ ঘোষের স্ত্রী হলেও, দীর্ঘ সময় ধরেই বিজেপির সদস্য হিসেবে সক্রিয় তিনি। মহিলা মোর্চার নেত্রী হিসেবে তাঁর পরিচিতি ছিল।
২০২৬-এর বিধানসভা নির্বাচনের জন্য জীবনপঞ্জি জমা দিয়েছিলেন তিনি। রাজারহাট নিউটাউন আসনের জন্য আবেদন করেছিলেন তিনি। ওই আসনে পদ্মফুলের টিকিটে লড়াই করছেন পীযূষ কানোরিয়া। তাঁর নাম দ্বিতীয় দফার তালিকায় প্রকাশিত হয়েছে বৃহস্পতিবার বিকেলে। এরপরই আসন না পাওয়ায় অভিযোগ নিয়ে দিলীপ ঘোষের স্ত্রী রিঙ্কু মজুমদার অভিযোগ জানাতে চান।
পশ্চিমবঙ্গ বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক সুনীল বনশলের কাছে অভিযোগ জানিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, সঠিক প্রার্থী বাছাই করেনি বিজেপি। তাঁকেই প্রার্থী করা উচিৎ ছিল।
সূত্রের খবর, মেদিনীপুর, বীজপুর ও নিউটাউনের জন্য় বায়োডেটা জমা দিয়েছিলেন রিঙ্কু। ভোটের আগে দিলীপ পত্নীর বায়োডাটা জমা ঘিরে আলোচনা তুঙ্গে ওঠে। দিলীপ ঘোষ বলেছিলেন, “প্রার্থী হতে চেয়ে হাজার হাজার বায়োডাটা জমা পড়ছে। উনিও দিয়েছেন। দল ঠিক করবে কী করবে না করবে।” রিঙ্কু মজুমদারের বক্তব্য় ছিল, “আমি বাইরের কর্মী নই। আমি সিপিএম-কংগ্রেস থেকে আসিনি। বিজেপি দিয়েই রাজনৈতিক কেরিয়ার শুরু, সেটাতেই শেষ।”
