
কলকাতা: সন্দেশখালির শেখ শাহজাহানকে এবার নিজেদের হেফাজতে নিতে চায় ইডি। জেলে গিয়ে জেরার সময় সন্তোষজনক জবাব না পাওয়ায় শাহজাহানকে শোন অ্যারেস্ট করেছিল ইডি। সোমবার শাহজাহানকে বিশেষ ইডি আদালতে পেশ করার পর, ইডির আইনজীবীরা তুলে ধরেন কী কী চলত সন্দেশখালিতে। আদালতে ইডির আইনজীবী জানান, জমি ও মাছের ভেড়ি কেড়ে নেওয়া হয়েছিল। আদিবাসীদের জমি কেড়ে নেওয়া হয়েছিল বলে আদালতে দাবি করেন ইডির আইনজীবী। কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী জানান, সেখানে একটি সিন্ডিকেট তৈরি করা হয়েছিল, যার কিংপিন বা মাস্টারমাইন্ড ছিলেন শাহাজাহান। সঙ্গে আরও অনেককে চিহ্নিত করা হয়েছে বলেও জানান ইডির আইনজীবী।
কীভাবে কালো টাকা সাদা করা হত, সেই সংক্রান্ত তথ্যও এদিন আদালতে তুলে ধরেন কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থার আইনজীবী। ইডির তরফে আদালতে কেন্দ্রীয় এজেন্সির আইনজীবী সন্দেশখালির পরিস্থিতি ব্যাখ্যা করতে গিয়ে জানান, নিজের লোকেদের ভেড়ির মালিক বানানো হত। তারপর তাদের থেকে চিংড়ি মাছ কেনাবেচা করা হত। গোটা বিষয়টাই নগদে হত বলে দাবি ইডির আইনজীবীর।
একটি সংস্থার নামও এদিন আদালতে জানান কেন্দ্রীয় এজেন্সির আইনজীবী। সেই সংস্থার মাধ্যমেই টাকা ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে ঢোকানো হত। এইভাবেই কালো টাকা সাদা করা হত বলে জানান ইডির আইনজীবী। তিনি বলেন, ‘শুধু সন্দেশখালি নয়, গোটা ভারতের স্বার্থে শাহজাহানকে ইডি হেফাজতে পাঠানো হোক।’ শেষে আদালত এদিন শেখ শাহাজাহানকে ১৩ এপ্রিল পর্যন্ত ইডি হেফাজতে পাঠানোর নির্দেশ দেয়।