
কলকাতা: এসআইআর মামলায় অবশেষে ঐতিহাসিক নির্দেশটা দিয়েই দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। সমস্ত জল্পনার অবসান ঘটিয়ে সংবিধানের ১৪২তম অনুচ্ছেদ অনুসারে প্রয়োগ করা হয়েছে বিশেষ ক্ষমতা। সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ কথা, ভোটের ২ দিন আগে ট্রাইব্যুনালে নিষ্পত্তি হলেও দেওয়া যাবে ভোট। শীর্ষ আদালতের এই নির্দেশে যারপরনাই খুশি মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বললেন, ‘আজ আমার থেকে খুশি আর কেউ নন।’ যদিও বিচলত নয় বিজেপি। সংবাদিক বৈঠকে কার্যত খোলা চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দিলেন বঙ্গ বিজেপির রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্য। তাঁর সাফ কথা, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় যেভাবে ভোট করাতে চাইছেন সেভাবেই করুন। পুরোনো ভোটার তালিকা দিয়েই ভোট করুন। তবুও চতুর্থবারের জন্য মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় মুখ্যমন্ত্রী হতে পারবেন না। তৃণমূল চলে গিয়েছে। তৃণমূল শেষ”
অন্যদিকে ট্রাইব্যুনাল নিয়ে জল্পনা চলছিল পুরোদমে। সকলের নজর ছিল শীর্ষ আদালতের রায়ের দিকে। অবশেষে বাংলার এসআইআর মামলায় বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করল সুপ্রিম কোর্ট। সংবিধানের ১৪২তম অনুচ্ছেদ অনুসারে এই বিশেষ ক্ষমতা প্রয়োগ করা হয়েছে। এদিকে ইতিমধ্যেই ভোটার তালিকা ফ্রিজ করে ফেলেছিল নির্বাচন কমিশন। ফলে ট্রাইব্যুনালে বিচারের পর কারও নাম তালিকায় উঠলেও আসন্ন নির্বাচনে ভোট দেওয়ার কোনও সম্ভাবনা আর ছিল না। তা নিয়েই জোর চাপানউতোর চলছিল। ফলে স্বভাবতই সুপ্রিম কোর্ট কী বলে সেদিকে নজর ছিল গোটা বাংলার। তার মধ্যেই এল ঐতিহাসিক নির্দেশ।
অন্যদিকে এদিন কমিশনের বিরুদ্ধেও খানিক ক্ষোভ উগরে দিতে দেখা গিয়েছে শমীককে। বলেন, “আমরা এই প্রক্রিয়ায় আমরা সন্তুষ্ট নই। আমাদের ফর্ম ৭ এর শুনানি হয়নি। নির্বাচন কমিশন আমাদের কথা পুরো শোনেননি। আমাদের অভিযোগ, আমাদের অভিমান কমিশনের বিরুদ্ধে। কিন্তু একটা সাংবিধানিক সংস্থা। আমরা তাঁদের আধিকারিকদের প্রতি সম্পূর্ণ সম্মান রেখেই বলছি আমরা সন্তুষ্ট নই।”