
কলকাতা: মায়ের চক্ষুদান করে জেলে যেতে হয়েছিল সমাজকর্মীকে। বিতর্কের মধ্যেই এবার এসপি বদল। সরিয়ে দেওয়া হল কৃষ্ণনগরের পুলিশ জেলার এসপি অমরনাথকে। নতুন এসপি হলেন ওয়াই রঘুবংশী। অন্যদিকে জলপাইগুড়ির পুলিশ সুপার হিসাবে পাঠানো হল অমরনাথকে। যদিও রাজ্য প্রশাসন সূত্রে খবর, এটা রুটিন বদলি। যদিও তারপরেও বদলি নিয়ে চাপানউতোর থামছে না। তবে শুধু অমরনাথ নয়, মোট ৬ জন আইপিএসের বদলির সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। রাজীব মিশ্রকে করা হয়েছে এডিজি আইজি দক্ষিণবঙ্গ। লক্ষ্মীনারায়ণ মিনা এডিজি আইজি সিআইডি। মুকেশ আইজি আইবি। সৈয়দ ওয়াকার রাজা ডিআইজি মুর্শিদাবাদ।
এর আগে উপনির্বাচনে কালীগঞ্জে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রী তামন্নার মৃত্যুতেও উত্তাল হয়েছিল রাজ্য-রাজনীতি। তৃণমূলের মিছিল থেকে ছোড়া বোমার আঘাতেই ওই কিশোরীর মৃত্যু হয়েছিল বলে অভিযোগ। ওই ঘটনার সময়েও কৃষ্ণনগরের এসপি-র দায়িত্বে ছিলেন অমরনাথ কে।
মায়ের চক্ষুদান করে জেলে যেতে হয়েছিল যে সমাজকর্মীকে। সেই আমিরচাঁদ শেখ বলছেন, “এসপিকে সরানো তো অন্য বিষয়। মূল অভিযুক্ত তো আইসি। ওর বিরুদ্ধে কেন ব্যবস্থা নেওয়া হল না? এদের বিরুদ্ধে তো আগে ব্যবস্থা নেওয়া দরকার।” কয়েকদিন আগেই গ্রেফতার করা হয়েছিল নদিয়ার কোতোয়ালি থানা এলাকায় ওই সমাজ কর্মী তথা স্কুল শিক্ষককে। তাঁর বিরুদ্ধে গ্রামবাসীদের একাংশের অভিযোগ তিনি তাঁর মায়ের মৃত্যুর পর চোখ বিক্রি করেছেন। যদিও আমিরচাঁদের দাবি ছিল আগেই চক্ষুদান নিয়ে একটি স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার সঙ্গে কথা বলা ছিল। মায়ের মৃত্যুর পর নিয়ম মেনেই চক্ষুদান হয়েছে। তার কাছে কাগজপত্রও রয়েছে। কিন্তু চাপানউতোরের মধ্যেই গ্রামবাসীদের অভিযোগের ভিত্তিতে তাঁকে গ্রেফতার করে পুলিশ। তাতেই পুলিশের ভূমিকা নিয়ে উঠে যায় প্রশ্ন।