Dead Surgent Bapi Sen: ২০০২ কাট টু ২০২৬! বর্ষবরণের রাতে পার্কস্ট্রিটে তরুণীকে বাঁচাতে গিয়ে ‘খুন’ হন বাবা, সেই নিহত সার্জেন্ট বাপি সেনের ছেলেই এবার দিল্লি পুলিশের জালে, কারণ চমকে ওঠার মতো

Dead Surgent Bapi Sen's Son Arrest: যদিও পরিবারের এক সদস্যের দাবি, "ও ব্যাঙ্ক থেকে টাকা তুলেছে, এটা জানি। এরপর দিল্লি পুলিশ এসে গ্রেফতার করে। আমি পুলিশকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, যে ওর অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে। কিন্তু পুলিশ বলল, টাকা ওর অ্যাকাউন্টে ঢোকেনি। তবে ওকে টাকা তুলতে ফুটেজে দেখা গিয়েছে।

Dead Surgent Bapi Sen: ২০০২ কাট টু ২০২৬! বর্ষবরণের রাতে পার্কস্ট্রিটে তরুণীকে বাঁচাতে গিয়ে খুন হন বাবা, সেই নিহত সার্জেন্ট বাপি সেনের ছেলেই এবার দিল্লি পুলিশের জালে, কারণ চমকে ওঠার মতো
মাঝে নিহত বাপি সেন, ডান দিকে তাঁর ছোট ছেলে শঙ্খশুভ্র সেনImage Credit source: TV9 Bangla

| Edited By: শর্মিষ্ঠা চক্রবর্তী

Jan 11, 2026 | 4:25 PM

কলকাতা:   বর্ষবরণের রাতে পার্ক স্ট্রিটে এক তরুণীকে বাঁচাতে গিয়ে সহকর্মীদের মারেই মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছিল সার্জেন্ট বাপি সেনের। বেহালা পর্ণশ্রীতে এখনও কলকাতা পুলিশের নিহত ট্র্যাফিক সার্জেন্টে বাপি সেনের স্মৃতি দগদগে। কিন্তু এবার সেই বাপি সেনেরই ছেলে গ্রেফতার পুলিশের হাতে। গ্রেফতার কলকাতা পুলিশের সার্জেন্ট বাপি সেনের ছেলে শঙ্খশুভ্র সেন সাইবার প্রতারণায় গ্রেফতার হয়েছে বলে খবর।  অভিযুক্তকে আলিপুর আদালতে পেশ করা হয়েছে। তাকে ট্রানজিট রিমান্ডে নেবে দিল্লি পুলিশ।

অভিযোগ, অন্যের অ্যাকাউন্ট থেকে সাইবার প্রতারণার মাধ্যমে প্রচুর টাকা তুলে নিয়েছেন শঙ্খশুভ্র। অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নামে দিল্লি পুলিশ। পর্ণশ্রী থানার সঙ্গে যোগাযোগ করে। এরপর শঙ্খশুভ্রকে পর্ণশ্রী থানায় নিয়ে গিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। পুলিশ সূত্রে খবর, কথায় একাধিক অসঙ্গতি মেলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়। আজ তাঁকে ট্রানজিট রিমান্ডে দিল্লি নিয়ে যাওয়া হবে বলে খবর।

যদিও পরিবারের এক সদস্যের দাবি, “ও ব্যাঙ্ক থেকে টাকা তুলেছে, এটা জানি। এরপর দিল্লি পুলিশ এসে গ্রেফতার করে। আমি পুলিশকে জিজ্ঞাসা করেছিলাম, যে ওর অ্যাকাউন্টে টাকা ঢুকেছে। কিন্তু পুলিশ বলল, টাকা ওর অ্যাকাউন্টে ঢোকেনি। তবে ওকে টাকা তুলতে ফুটেজে দেখা গিয়েছে। হতে পারে ওকে কেউ টাকার লোভ দেখিয়ে টাকাটা তুলে দিতে বলেছিল। সেই লোভে টাকা তুলেছে। তবে সাইবার ক্রাইমের সঙ্গে ও যুক্ত নয়। ওর কোনও পাস্ট রেকর্ডও নেই। যে ওকে টাকা তুলতে বলেছিল, তার নামও বলেছে।”  কলকাতা পুলিশের বিরুদ্ধে অসহযোগিতার অভিযোগ করেছেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, ” দিল্লি পুলিশ বলছে, কলকাতা পুলিশ তাদের সঙ্গে কোনও কোওপারেট করেনি, তাকে ওকে তদন্তের জন্য নিয়ে যেতে হচ্ছে। কলকাতা পুলিশ কোওপারেট করলে দিল্লি পুলিশই বলেছিল, ওকে বাড়িতেই ছেড়ে দিয়ে যাবে।”

২০০২ কাট টু ২০২৬! নিহত সার্জেট বাপি সেনের স্মৃতি এখনও এলাকায় টাটকা। এখনও পর্যন্ত তাঁর মর্মান্তিক মৃত্যুপ্রসঙ্গ উঠলে স্তব্ধ হয়ে যান এলাকাবাসীরা। ঘটনাটি ২০০২ সালে ৩১ ডিসেম্বর রাতে। অভিযোগ,  হিন্দ সিনেমার সামনে কলকাতা পুলিশের রিজার্ভ ফোর্সের কয়েক জন কর্মীর হাতে বেধড়ক মার খেয়ে হাসপাতালে ভর্তি হন বাপি। পরিবারের অভিযোগ ছিল, শরীরের বাঁ দিকে ৩৮টি জায়গায় আঘাতের চিহ্ন ছিল তাঁর। ২০০৩-র ৬ জানুয়ারি মৃত্যু হয় ওই সার্জেন্টের। কলকাতা পুলিশের নথি বলছে, পার্কস্ট্রিটেই এক তরুণীকে জোর করে গাড়িতে তুলতে চেয়েছিলেন কলকাতা পুলিশেরই একাংশ। কিন্তু তিনি বাধা দিয়েছিলেন। পরে ওই তরুণী তাঁর সঙ্গে থাকা যুবকের সঙ্গে পালিয়ে যেতে সক্ষম হন। সেই আক্রোশেই তাঁকে বেধড়ক মারা হয় বলে অভিযোগ। যদিও পরে কোনওদিন আর সেই তরুণী এসে প্রকাশ্যে মুখ খোলেননি। তাঁকে শনাক্তও করা যায়নি। তাই এই কেস আনসলভ্ড হয়ে থেকেই যায়। সেই বাপি সেনের ছেলেকে যখন পুলিশ তুলে নিয়ে যায় তখন স্বাভাবিকভাবেই হতবাক পড়শিরা।